shono
Advertisement
Ebola virus

আফ্রিকায় দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে মারণ ইবোলা, কঙ্গোয় মৃত বেড়ে ১৩০০

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন গ্রুপের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের মোকাবিলায় একটি টিকা তৈরি করা হয়েছে। শুক্রবার টিকার প্রথম ডোজ একজনকে দেওয়া হয়েছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:51 PM Jul 26, 2026Updated: 03:52 PM Jul 26, 2026

মারণ ভাইরাস ইবোলার থাবায় নাজেহাল অবস্থা আফ্রিকায় দেশ ডিআর কঙ্গোর। ভয়ংকর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এই দেশে এখনও পর্যন্ত ১৩০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকারি পরিসংখ্যান থেকে জানা যাচ্ছে, মাত্র ৫ দিনে দেশে সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে স্থানীয় এক জনস্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কঙ্গোয় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা ভাইরাস।

Advertisement

শনিবার ডিআর কঙ্গো সরকারের তরফে যে তথ্য পেশ করা হয়েছে সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ইবোলা ভাইরাসে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৯৭৩-এ দাঁড়িয়েছে। আগের শনিবারের তুলনায় এই সংখ্যাটা ২৭ শতাংশ বেশি। যেভাবে আক্রান্তের হার বাড়ছে তা ভয়াবহ। অনুমান করা হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত দেশে এত দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়া এটাই প্রথম মহামারি। আরও উদ্বেগের বিষয় হল, ইবোলা ভাইরাসের নয়া যে ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে তা হল 'বুনদিবুগিও'। মানব দেহে এখনও পর্যন্ত যে ৪ ধরনের ইবোলা শনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে 'বুনদিবুগিও' সবচেয়ে বিরল ও সংক্রামক। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ। স্বাস্থ্যকর্তাদের মতে যেহেতু এই ভাইরাসের কোনও কার্যকর টিকা নেই, তাই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি।

গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে ইবোলা ভাইরাসে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৯৭৩-এ দাঁড়িয়েছে। আগের শনিবারের তুলনায় এই সংখ্যাটা ২৭ শতাংশ বেশি।

এদিকে ইবোলা ভাইরাসে লাগাম টানতে জোরকদমে কাজ শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন গ্রুপের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের মোকাবিলায় একটি টিকা তৈরি করা হয়েছে। শুক্রবার টিকার প্রথম ডোজ একজনকে দেওয়া হয়েছে। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের প্রধান গবেষক ক্যাটরিনা পোলক বলেন, ‘টিকা পরীক্ষার জন্য এটা এক বড় মাইলফলক। ইবোলার বুনদিবুগিও ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়তে এই টিকা কার্যকর।’

কী এই ইবোলা ভাইরাস? রাজ্যের জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. অনির্বাণ দলুই জানিয়েছেন, ইবোলা ভাইরাস, ইবোলা ভাইরাস ডিজিজের জন্য দায়ী। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে হঠাৎ জ্বর, প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, ডায়েরিয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। বঙ্গে নিযুক্ত ‘নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ’ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোঅর্ডিনেটর ডা. প্রীতম রায় জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ইবোলা ভাইরাস আক্রান্তের খবর নেই। তবে দমদম বিমানবন্দরে ঘোষণা করা হচ্ছে। যাঁরা বিদেশ থেকে আসছেন, বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলি থেকে ফিরছেন, তাঁদের মধ্যে যদি কারও এমন উপসর্গ থাকে, তবে সেলফ ডিক্লারেশন বা স্বঘোষণাপত্র দিতে বলা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement