যুদ্ধ শুরুর পর কিংবা নয়া সুপ্রিম লিডার হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর একবারও জনসমক্ষে আসেননি। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে (Mojtaba Khamenei) নিয়ে মুখ খুলল ইরান।
ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, মোজতবা এখন অনেকটাই সুস্থ। তাঁর শরীরে যে ক্ষত ছিল সেগুলি সেরে গিয়েছে। তার হাঁটুতে সামান্য আঘাত রয়েছে। সেটিও শীঘ্রই সেরে যাবে। এছড়া তার কানেও সামান্য আঘাত রয়েছে। সেগুলি ছাড়া মোজতবার আর কোনও সমস্যা নেই। শত্রুরা ক্রমাগত গুজব ছড়াচ্ছে। আসলে তারা তাঁকে খুঁজছে। কিন্তু সন্ধান পাচ্ছে না। ইরানের সুপ্রিম লিডারকে নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষও। কিন্তু তাঁদের ধৈর্য ধরা উচিত। তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। সঠিক সময়ে তিনি জনসমক্ষে আসবেন।
উল্লেখ্য, মোজতবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক রিপোর্টে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে, শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়েই বিপর্যস্ত মোজতবা। মুখ ও ঠোঁট এমন ঝলসে গিয়েছে, প্রয়োজন প্লাস্টিক সার্জারির। এমনকী সেই কারণে তিনি ভালো করে কথাই বলতে পারছেন না। জানা গিয়েছে, বাদ পড়েছে তাঁর একটি পা-ও। তিনবার অস্ত্রোপচার করেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। সম্ভবত সেই পায়ের পরিবর্তে প্রস্থেটিক পা বসানো হবে। এদিকে তাঁর একটি হাতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে। সেটি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে। তবে এখনও সময় দরকার।
কুরসিতে বসার পর থেকে কখনওই জনসমক্ষে দেখা যায়নি মোজতবাকে। তাঁর কোনও ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি। জানা যাচ্ছে, এটাও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। সুপ্রিম লিডার চান না চোটগ্রস্ত চেহারায় কিংবা কম্পিত কণ্ঠে দেশের আমজনতার মুখোমুখি হতে। এই মুহূর্তে খুব বিশেষ মানুষজন ছাড়া আর কারওই তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি নেই। মার্কিন হামলায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও মারা গিয়েছেন তাঁর স্ত্রী। প্রয়াত সন্তানও। তবে গোপন ঘাঁটি থেকে একাধিকবার বার্তা দিয়েছেন মোজতবা।
