দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এক বছরে দ্বিতীয়বার পুতিনের ভারত সফরে অন্য সমীকরণ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
এক বছরে দ্বিতীয়বার পুতিনের ভারত সফর দুই দেশের উচ্চ-পর্যায়ের সম্পৃক্ততাকেই প্রমাণ করে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের চলতি সফরে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত ডিসেম্বরে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে দিল্লিতে এসেছিলেন পুতিন। সেই সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের মধ্যে পুতিনের এই সফরে জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা হতে পারে। মাঝে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে আপত্তি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প। যদিও পরিবর্তিত পরিস্থিতি অন্য দিকে বাঁক নিয়েছে। হরমুজ অবরুদ্ধ হওয়ার পর থেকে গোটা পৃথিবী জ্বালানি সংকটে ভুগছে। মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা লেগেছে ভারতের বাজারে। এই পরিস্থিতি মোদি-পুতিন বৈঠক বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং একটি বহুত্ববাদী বিশ্বব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উপর আলোকপাত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লিতে বিদেশমন্ত্রীদের 'ব্রিকস' সম্মেলন ছিল। সেখানে অংশ নেন রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লেভরভ। ওই সময় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
