বিলাসিতার টাকা জোগাড় করতে স্ত্রীকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি! দিনের পর দিন পর পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হত স্ত্রীকে। এভাবেই অন্তত ১২০ জন পুরুষের সঙ্গে জোর করে স্ত্রীকে যৌন সঙ্গম করানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত। ভয়াবহ এই ঘটনা ঘটেছে ইউরোপের দেশ সুইডেনে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর ষাটোর্ধ স্বামীকে।
জানা গিয়েছে, এই ঘটনা উত্তর সুইডেনের। সম্প্রতি এক মহিলা পুলিশের কাছে এসে অভিযোগ জানান, তাঁর স্বামী তাঁকে দিয়ে জোর করে পতিতাবৃত্তি করাচ্ছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের অক্টোবর মাসে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। এরপরই মামলার তদন্তে সামনে আসে একের পর এক ভয়াবহ তথ্য। জানা যায়, স্ত্রীকে পরপুরুষের শয্যাসঙ্গিনী করে বিপুল টাকা রোজগার করতেন অভিযুক্ত। সেই টাকায় চলত তাঁর বিলাসী জীবন। অভিযোগ স্ত্রী যাতে কোনওরকম বাধা দিতে না পারে তার জন্য কুকর্মের আগে স্ত্রীকে জোর করে মাদক খাওয়ানো হত।
এভাবে অন্তত ১২০ জন পুরুষের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করতে বাধ্য করানো হয় মহিলাকে। এখানেই শেষ নয়, কোনওরকম আপত্তি করলে চলত অকথ্য নির্যাতন। দীর্ঘদিন ধরে এই ভয়াবহ কর্মকাণ্ড চলার পর শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন মহিলা। অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও মামলা আদালতে উঠলেও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ব্যক্তি।
সুইডেনের আইন অনুযায়ী, যৌন ব্যবসা বা এর চেষ্টাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের ঘটনায় যৌন ব্যবসায়ীকে ভুক্তভোগী হিসেবে বিবেচনা করে আদালত। কেউ যদি মহিলাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করানোর চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধেও ২ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। পাশাপাশি, যে ব্যক্তিরা ওই মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ২ জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও গুরুতর অপরাধ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
