shono
Advertisement
Trump-Epstein statue

টাইটানিক পোজে দু'হাত ছড়িয়ে ট্রাম্প-এপস্টেইন! হোয়াইট হাউসের নাকের ডগায় বসল বিতর্কিত মূর্তি

স্ট্যাচুটি নির্মাণ করেছে 'দ্য সিক্রেট হ্যান্ডশেক' নামে অজ্ঞাত এক সংগঠন। মূর্তির পিছনে লেখা রয়েছে, 'মেক আমেরিকা ফেক এগেইন'। যা ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন)-কে কটাক্ষ করছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:40 PM Mar 11, 2026Updated: 04:47 PM Mar 11, 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের 'নাক কেটে' হোয়াইট হাউসের কাছে বসল বিতর্কিত মূর্তি। বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলে দেওয়া যৌন কেলেঙ্কারির 'ভিলেন' এপস্টেইনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই মূর্তিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে চর্চা। জানা যাচ্ছে, আমেরকার অজ্ঞাত এক সংগঠনের উদ্যোগে ওয়াশিংটন ডিসিতে বসেছে মূর্তিটি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, টাইটানিক সিনেমার জনপ্রিয় সেই দৃশ্যের ধাঁচে প্রেমিক-প্রেমিকার মতো দুই হাত ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন যৌন অপরাধী এপস্টেইন ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Advertisement

টাইটানিকের জনপ্রিয় দৃশ্যের অনুকরণে নির্মিত ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মূর্তি। ছবি সংগৃহীত।

সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে মূর্তিটির একাধিক ছবি। মূর্তির নিচে একটি পোস্টারও সাঁটানো হয়েছে। যেখানে লেখা হয়েছে, 'The King Of The Wold' অর্থাৎ 'পৃথিবীর রাজা'। তাঁর নিচে ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে লেখা হয়েছে, 'জ্যাক ও রোজের দুঃখের প্রেম কাহিনী আসলে বিলাসী সফর, জমজমাট পার্টি ও গোপন নগ্ন চিত্রের উপর নির্মিত হয়েছিল। এই স্মারক ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ককে সম্মান করে। এটাও এমন এক বন্ধুত্ব যা বিলাসী সফর, জমজমাট পার্টি ও নগ্ন চিত্রের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল।'

লেখা হয়েছে, 'এই স্মারক ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ককে সম্মান করে। এটাও এমন এক বন্ধুত্ব যা বিলাসী সফর, জমজমাট পার্টি ও নগ্ন চিত্রের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল।'

জানা গিয়েছে, এই স্ট্যাচুটি নির্মাণ করেছে 'দ্য সিক্রেট হ্যান্ডশেক' নামে অজ্ঞাত এক সংগঠন। মূর্তির পিছনে লেখা রয়েছে, 'মেক আমেরিকা ফেক এগেইন'। যা ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগান (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন)-কে কটাক্ষ করছে। অর্থাৎ পুরদস্তুর মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আক্রমণ শানিয়ে নির্মিত হয়েছে মূর্তিটি। বলার অপেক্ষা রাখে না হোয়াইট হাউসের সামনে এহেন মূর্তি ঘিরে বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে। প্রশাসনের তরফে এই ইস্যুতে এখনও কোনও মন্তব্য না করা হলেও সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে মূর্তির ছবি।

মূর্তির ছবি তুলছেন উৎসুক জনতা। ছবি সংগৃহীত।

মূর্তিকে কেন্দ্রকে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ২০০৩ সালে এপস্টেইনের ৫০তম জন্মদিনে ট্রাম্পের লেখা একটি চিঠি। যে চিঠিতে এক নগ্ন মহিলার স্কেচ ছিল। ভিতরে ছিল ট্রাম্পের সই। ২০০৫ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত হয় ছবিটি। চিঠিতে লেখা ছিল, 'অদ্ভুত একটি বিষয় হয়, এপস্টেইনের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে আমার প্রচুর মিল রয়েছে। জন্মদিনের শুভেচ্ছা। প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটি দিন অদ্ভুত রহস্যময় হোক।' এই চিঠি সামনে আসার পর চিঠিকে ভুয়ো বলে দাবি করে ওই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেন। পরে ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইনের বহু ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, 'এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতে বন্ধুত্ব থাকলেও যৌন অপরাধের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার