shono
Advertisement

Breaking News

Tibet

সবটাই দেওয়া নেওয়া! তিব্বতে এসে মোদির দিকেই 'দলাই-প্রশ্ন' ছুড়ে দিলেন জিনপিং

আগামী ৩১ আগস্ট চিনে যাবেন মোদি।
Published By: Biswadip DeyPosted: 04:48 PM Aug 21, 2025Updated: 04:48 PM Aug 21, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দ্বিতীয় বার তিব্বত সফরে শি জিনপিং। এর আগে তিনি তিব্বতে এসেছিলেন ২০২১ সালে। বুধবার তিনি সেখানে গেলেও বৃহস্পতিবার সেই খবর প্রকাশ করল বেজিংয়ের সরকারি মাধ্যম। প্রসঙ্গত, জিনপিংয়ের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

তিব্বতের লাসায় গিয়েছিলেন জিনপিং। চিনা সংবাদমাধ্যমের দাবি, সেখানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ফুলের স্তবক তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। পরিবেশন করা হয় নৃত্য। এদিকে চিনের তিয়ানজিনে আয়োজিত এই এসসিও বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ৩১ আগস্ট চিনে যাবেন মোদি। গালওয়ান সংঘাতের পর এটাই হতে চলেছে মোদির প্রথম চিন সফর। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এই পরিস্থিতিতে তিব্বতকে চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরতেই জিনপিংয়ের এই আচমকা সফর। কিন্তু তার চেয়েও বেশি করে 'দলাই-প্রশ্ন' ছুড়ে দেওয়াও তাঁর উদ্দেশ্য হতে পারে।

কেন দলাই লামাকে নিয়ে হঠাৎ টানাপোড়েন ভারত-চিনের মধ্যে? বলে রাখা ভালো, ১৯৫১ সালে ‘সতেরো দফার চুক্তি’ হয়েছিল চিন ও তিব্বতের মধ্যে, যার অন্যতম শর্তই ছিল সেখানকার ধর্মীয় স্বশাসন। তার আগে ১৯৫০ সালেই তিব্বত চলে গিয়েছে চিনের দখলে। কাজেই বোঝা গিয়েছিল এই ‘স্বশাসন’ আসলে একটা ‘বিভ্রম’ মাত্র। ফলে চুক্তি ঘিরে এক অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েই ছিল। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছাড়েন দলাই লামা। সেই থেকে তিনি রয়েছেন ভারতেই। চিনের চক্রান্তে আর তিব্বতে ফিরে যাওয়া হয়নি তাঁর। সম্প্রতি দলাই লামা তাঁর ৯০তম জন্মদিনে ঘোষণা করেন তাঁর উত্তরাধিকারী তিনিই বাছবেন। যা নাপসন্দ চিনের। এদিকে দলাই লামার পাশে রয়েছে ভারত। তাঁকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ (এমনকী ‘সন্ন্যাসীর বেশে নেকড়ে’) তোপ দেগে বেজিংয়ের সাফ কথা, তাদের দেশের ধর্মাচরণ থেকে ঐতিহাসিক প্রথা মেনেই বাছকে হবে উত্তরাধিকারী। কেন্দ্রের সাফ কথা, নির্ধারিত ট্রাস্ট ছাড়া অন্য কারও এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই। এহেন পরিস্থিতিতে মোদির বেজিং সফর। তার আগেই তিব্বতে গিয়ে কূটনৈতিক বার্তা দিলেন জিনপিং, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে আমেরিকার সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ আবহে ভারত ও চিনের মধ্যে এক নতুন বোঝাপড়া তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক তো রয়েছেই। এই পরিস্থিতিতে চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিং তিব্বত সফরে গিয়ে কার্যতই মোদিকে বুঝিয়ে দিলেন অরুণাচল বিতর্কের সমাধান চাইলে দলাই লামা নিয়ে অবস্থান পালটাক ভারত। এবার মোদি কোন কূটনৈতিক চালে চিনকে জবাব দেন সেদিকেই তাকিয়ে বিশেষজ্ঞরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • চিনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দ্বিতীয় বার তিব্বত সফরে শি জিনপিং। এর আগে তিনি তিব্বতে এসেছিলেন ২০২১ সালে।
  • বুধবার তিনি সেখানে গেলেও বৃহস্পতিবার সেই খবর প্রকাশ করল বেজিংয়ের সরকারি মাধ্যম।
  • প্রসঙ্গত, জিনপিংয়ের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
Advertisement