ভারত-পাকিস্তান-সহ আটটি যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন আগেই। এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, তাঁর অনুরোধেই নাকি এক সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়েছে রাশিয়া এবং ইউক্রেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, এই সময়টায় ইউক্রেনে প্রবল ঠাণ্ডা পড়ে। তাই এক সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ থামাতে তিনি অনুরোধ করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছেন পুতিন, এমনটাই দাবি ট্রাম্পের। তবে রাশিয়ার তরফ থেকে এমন কিছুই জানানো হয়নি।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ক্যাবিনেট বৈঠক চলাকালীনই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, "আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে অনুরোধ করেছিলাম, আগামী এক সপ্তাহের জন্য যেন কিয়েভ এবং অন্যান্য শহরগুলিতে আক্রমণ না করেন।" সেই প্রস্তাব পুতিন মেনে নিয়েছেন বলেও দাবি ট্রাম্পের। তিনি আরও বলেন, ফোনে পুতিনের সঙ্গে কথা হয়েছে। সে সময়েই আলোচনা হয়েছে যুদ্ধবিরতি নিয়ে।
ট্রাম্পের এই দাবি শুনে অবাক রাশিয়া-ইউক্রেন দুই দেশই। যুদ্ধবিরতি হবে, এমনটা দুপক্ষই জানত না বলে সূত্রের খবর। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, "ইউক্রেন তো প্রথমে যুদ্ধবিরতি হবে সেটা বিশ্বাসই করতে চাইছিল না।" অন্যদিকে, পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনে কথা হয়েছে, এমনটাও রাশিয়ার তরফে জানানো হয়নি। যুদ্ধবিরতির দাবি নিয়েও ক্রেমলিন চুপ। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, "ট্রাম্প তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। আশা করি এই প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যে কিয়েভ এবং অন্যান্য শহরগুলিকে সুরক্ষিত রাখা যাবে।"
পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনে কথা হয়েছে, এমনটাও রাশিয়ার তরফে জানানো হয়নি। যুদ্ধবিরতির দাবি নিয়েও ক্রেমলিন চুপ।
এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কবে থেকে শুরু হবে, সেই বিস্তারিত তথ্য অবশ্য দেননি ট্রাম্প। এহেন পরিস্থিতিতে আদৌ সাময়িকভাবে হামলা থামবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। যদিও বৃহস্পতিবার ক্রেমলিন জানিয়েছে, জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শান্তি আলোচনার জন্য। আমেরিকার মধ্যস্থতায় ইতিমধ্যেই কয়েকবার শান্তি আলোচনা হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে। এবার পুতিন এবং জেলেনস্কির বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর। তবে জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ জানালেও ওই আলোচনায় পুতিন থাকবেন কিনা, জানা নেই।
