মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি কমিটিতে যোগদান নিয়ে নিজের দেশেই বিরোধিতার মুখে পড়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। তার মাঝেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়ে গিয়েছে মিমের বন্যা। এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘ওসামা বিন লাদেনকে ফিরিয়ে আনুন। তাকে শান্তিকমিটির চেয়ারম্যান করুন।’
পাকিস্তান নিজে ‘সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর’। আল কায়দা প্রতিষ্ঠাতা লাদেন সেই পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদেই লুকিয়ে ছিল। সেখানেই মার্কিন ফৌজ তাঁকে হত্যা করে। সুতরাং এমন একটি রাষ্ট্রকে কোন যুক্তিতে শান্তি কমিনিটিতে আহ্বান করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। অপর এক নেটিজেনের কথায়, "যুদ্ধ পরবর্তী গাজা এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে এই কমিটি স্থাপন করেছে আমেরিকা। কিন্তু পাকিস্তান শান্তি ভঙ্গকারী দেশ হিসাবে পরিচিত।" গাজা শান্তি কমিনিটিতে আমন্ত্রিত দেশ যদি সদস্যপদ নিয়ে আগ্রহী হয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রকে ১ বিলিয়ন অর্থ ফি হিসাবে দিতে হবে। এখানেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। পাকিস্তানের অর্থনীতির কোমড় ভেঙে গিয়েছে। কীভাবে তারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে সদস্যপদ নিল? এক নেটিজেনের কথায়, "পাকিস্তানের মানুষজন ঠিক মতো দু'বেলা খাবার পান না। এত টাকা তাদের কাছে কীভাবে এল?"
ভাইরাল সেই মিম। ছবি: সংগৃহীত।
উল্লেখ্য, নীতিগত ভাবে বরাবরই প্যালেস্তাইনের সমর্থক পাকিস্তান। সেই কারণে ইসলামাবাদ ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবেই স্বীকৃতি দেয়নি। তা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিরোধও রয়েছে। ট্রাম্পের গাজা শান্তি কমিটিতে পাকিস্তানের যোগদান নিয়ে আপত্তি তুলেছিল ইজরায়েল। যদিও তা ধোপে টেকেনি। ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ‘বোর্ড অফ পিসে’ যোগ দিয়েছে পাকিস্তান।
