মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইজরায়েল-আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের বহু দেশ। যার মধ্যে রয়েছে ইটালিও। আর এবার সেদেশের প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মন্তব্য, ''আমি ওঁর মন্তব্যে চমকে গিয়েছি। আমার ধারণা ছিল ওঁর সাহস রয়েছে। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।'' সেই সঙ্গেই ট্রাম্পের দাবি, তিনি বহুদিন মেলোনির সঙ্গে কথা বলেননি।
এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। আর সেই সময়ই তাঁর কথায় উঠে আসে জর্জিয়া মেলোনি প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ''ওঁকে যা ভেবেছিলাম উনি তার থেকে অনেকটাই আলাদা। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।'' এরপরই হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে মেলোনিকে কাঠগড়ায় তোলেন ট্রাম্প। বলেন, ''বিশ্বের মধ্যে শক্তি খাতে সবচেয়ে বেশি খরচ বহন করে ইটালি। অথচ হরমুজ নিয়ে লড়তে রাজিই নয়। ওরা চায় ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ খুলে দিক। মেলোনি আমাদের যুদ্ধে কোনও রকম সাহায্যও করেননি। আপনাদের দেশের লোক কি এটা মেনে নেবে যে আপনি তেল পেতে কোনও পদক্ষেপই করলেন না! ওঁর এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। ওঁর কিছু যাবে আসবে না যদি ইরান ২ মিনিটে পরমাণু বোমা ফেলে গোটা দেশটাকে গুঁড়িয়েও দেয়!''
প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মন্তব্য, ''আমি ওঁর মন্তব্যে চমকে গিয়েছি। আমার ধারণা ছিল ওঁর সাহস রয়েছে। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।''
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এখনও যুদ্ধ থামেনি পুরোপুরি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বুঝতে পারছেন তিনি 'একা' হয়ে যাচ্ছেন। আর যত সেটা পরিষ্কার হচ্ছে ততই 'বন্ধু' দেশগুলিকে তোপ দাগছেন।
