ইরানকে পঙ্গু করতে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করেছে আমেরিকা। ইতিমধ্যেই পারস্য উপসাগরে তারা মোতায়েন করেছে ১৫টি রণতরী। এই পরিস্থিতির মধ্যেও সংকটের হরমুজ (Strait of Hormuz) পেরল দু’টি জাহাজ। সূত্রের খবর, সেগুলি ইরানের বন্দর থেকে রওনা দিয়েছিল। নিরাপদেই হরমুজ পেরিয়েছে। এরপর প্রশ্ন উঠছে, তাহলে ব্যর্থ হল আমেরিকার হরমুজ অবরোধের কৌশল?
সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা কেপলারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘ক্রিস্টিয়ানা’ ইরানের ইমাম খোমেনি বন্দরে ভুট্টা ‘আনলোড’ করে। তারপর সেটি হরমুজ পার করে। মার্কিন অবরোধ কার্যকর হওয়ার দু’ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় বিকেল ৪টে নাগাদ জাহাজটি ইরানের লারাক দ্বীপও পার করে। তবে সূত্রের খবর, জাহাজটির কোনও ক্ষতি হয়নি। অন্যদিকে, দ্বিতীয় জাহাজটি ছিল কমোরোসের পতাকাবাহী। নাম ‘এলপিস’। এটিও লারাক দ্বীপের কাছে ছিল এবং প্রায় একইসময় সেটিও হরমুজ পার করে। এই জাহাজটিও অক্ষত রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান চলা শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর আর্থিকভাবে ইরানকে বিপাকে ফেরতে উঠে পড়ে লেগেছে আমেরিকা। স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে অবৈধভাবে শুল্ক দেওয়া যেকোনও জাহাজকে আটক করবে মার্কিন সেনা। অবৈধভাবে ইরানকে শুল্ক দেওয়া কেউই সমুদ্রে নিরাপদ নয়। যদি ইরান আমেরিকার উপর হামলা করে তবে তেহরানকে নরকে পাঠানো হবে।
অন্যদিকে ইরানের তরফে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘এই অঞ্চলের বন্দরগুলির নিরাপত্তা হয় সবার জন্য থাকবে, নাহলে কারও জন্য থাকবে না। যদি ইরানের বন্দরকে নিশানা করা হয়, তবে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।’
