এমনতিই অর্থনীতির কোমড় ভাঙা। তার উপর ‘সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর’। সেই পাকিস্তানেই ঘটা করে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইরান-আমেরিকার শান্তি বৈঠক। শনিবার ইসলামাবাদের একটি বিলাসবহুল হোটেলে উপস্থিত হয়েছিলেন দু’দেশের প্রতিনিধিরা। কিন্তু সেই হোটেলের বকেয়া মেটাতেই নাভিশ্বাস অবস্থা শাহবাজ শরিফ সরকারের। এমনটাই দাবি করা হয়েছে একটি রিপোর্টে।
ইসলামাবাদের বিলাসবহুল হোটেলগুলির মধ্যে অন্যতম হল সেরেনা। প্রায় ১৫ একর জমিতে অবস্থিত এই হোটেলে মোট ৪০০টি ঘর রয়েছে। রয়েছে একাধিক ব্যঙ্কোয়েট হলও। ভাড়া হাজার হাজার টাকা। এখানেই বসেছিল ইরান-আমেরিকার শান্তি বৈঠক। সাম্প্রতিক রিপোর্টটিতে দাবি করা হয়েছে, হোটেলের বকেয়া মেটাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পাক সরকারকে। কিন্তু তারপরও তারা তা মেটাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত হোটেলের কর্ণধারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। সূত্রের খবর, তিনিই বকেয়া মেটান।
প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধ চলার পর ২ সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান-আমেরিকা। এই সময়সীমার মধ্যে সংঘর্ষবিরতি যাতে স্থায়ী হয়, সেই চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছিল দু’দেশ। সেই লক্ষ্যে শনিবার শান্তি বৈঠকে যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছে যান দু'দেশের প্রতিনিধিরা।কিন্তু ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের পরও মেলেনি কোনও সমাধান সূত্র। বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আনতে চাননি মার্কিন উপ রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স। তবে প্রধানত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দু’পক্ষের অসম্মতির কারণেই এই আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইসলামাবাদে সাংবাদিক বৈঠকে ভ্যান্স বলেন, “ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলি আগেই ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকা। কিন্তু ভবিষ্যতে ইরান যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, সেই আশ্বাস তারা দেয়নি।”
