বাণিজ্যচুক্তি না হওয়া এবং পরবর্তীকালে শুল্কবাণের জেরে দু’দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “মোদি একজন দারুণ নেতা।” একইসঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মোদির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুমধুর। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মোদি দারুণ একজন নেতা। শীঘ্রই আমরা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি করতে চলেছি।” বলে রাখা ভালো, এর আগেও একাধিকবার মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ট্রাম্প। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। কারণ, ইতিমধ্যেই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির বার্তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কয়েকদিন আগামী ২৫ তারিখ ভারত সফরে আসবেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন। তাই ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি হওয়ার আগেই নিজের দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি সেড়ে ফেলতে চাইছেন ট্রাম্প।
বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মোদির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুমধুর। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মোদি দারুণ একজন নেতা। শীঘ্রই আমরা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি করতে চলেছি।”
প্রসঙ্গত, মার্কিন কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপে কৃষিপণ্য, মৎস্য এবং ডেয়ারি পণ্যের ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করতে চায় আমেরিকা। সেই শর্তে রাজি নয় ভারত। তার ফলেই আটকে রয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি। উল্লেখ্য, ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতেও এই তিনটি ক্ষেত্রের বাজার খোলেনি ভারত। তার কারণ, এই তিন ক্ষেত্রে ভারত নিজের বাজার খুলে দিলে প্রবল সমস্যায় পড়বেন দেশের কৃষকরা। যেহেতু আমেরিকার এই প্রস্তাবে ভারত রাজি নয়, তাই বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে। তবে ট্রাম্পের নয়া বার্তায় ফের আশার আলো দেখছেন অনেকে।
মার্কিন কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপে কৃষিপণ্য, মৎস্য এবং ডেয়ারি পণ্যের ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করতে চায় আমেরিকা। সেই শর্তে রাজি নয় ভারত। তার ফলেই আটকে রয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি।
উল্লেখ্য, গত বছর ভারতীয় পণ্যে প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। পরে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক এবং জরিমানা আরোপ করা হয়। ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন, ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনে বলেই চড়া হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে। তার পর থেকেই ভারত এবং আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়।
