আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সময়সীমা প্রায় শেষের পথে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, “আজ রাতের মধ্যে গোটা একটা সভ্যতার মৃত্যু হবে।” অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, ইরানে আরও ভয়ংকর হামলা চালাবে ওয়াশিংটন। কিন্তু সেই হামলা কি এবার সব কিছুকে ছাপিয়ে যাবে? ইরানে কি পরমাণু বোমা ফেলবে আমেরিকা? তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে, যা আর কখনও ফিরে আসবে না। আমি চাই না এমনটা হোক, কিন্তু সম্ভবত তেমনটাই হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘যদিও ইরানে এখন শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। উগ্রপন্থী মানসিকতার ব্যক্তিরা কম প্রাধান্য পাচ্ছেন। কিছু চমৎকারও ঘটতে পারে। কে জানে! বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্তে, আজ রাতেই আমরা সবটা জানতে পারব। ৪৭ বছর ধরে চলা দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবসান ঘটবে। ইরানের মহান জনগণের মঙ্গল হোক!’
ট্রাম্পের এই পোস্টের পরই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমেরিকা এমন একটি জিনিস ব্যবহার করবে, যা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কেবল প্রেসিডেন্টই নিতে পারেন। ইরান যদি নিজেদের আচরণ পরিবর্তন না করে, তাহলে আমরা সেই জিনিসটা ব্যবহার করতে পারি।” অনেকেই মনে করছেন, ভ্যান্স আসলে পরমাণু বোমার কথা বলেছেন।
এই বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুলেছে হোয়াইট হাউস। তারা পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়ে দিয়েছে, ভ্যান্স পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার সম্পর্কে কোনও কথাই বলেননি। এই তত্ত্ব সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন।
