ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামরিক পদক্ষেপ ও আলোচনা— সব দিকই খোলা রেখে তিনি জানালেন, উন্মাদদের হাতে যাতে পরমাণু অস্ত্র না ওঠে, সেটা নিশ্চিত করতেই আমেরিকা যুদ্ধে লিপ্ত। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''আপনারা জানেন, আমরা এখন এক যুদ্ধের মাঝখানে আছি। মনে হয় আপনারাও একমত হবেন যে, আমরা উন্মাদদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দিতে পারি না।''
ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামরিক পদক্ষেপ ও আলোচনা— সব দিকই খোলা রেখে তিনি জানালেন, আমেরিকা এই যুদ্ধে লিপ্ত, কেননা উন্মাদদের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকতে পারে না।
যুদ্ধের জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা বাড়াতে হলে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন ট্রাম্পের। এহেন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার পদক্ষেপ একটি পারমাণবিক বিপর্যয় রোধ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা বি-২ বিমানের সাহায্যে ওদের থামিয়ে দিয়েছি। যদি তা না করতাম, তবে ওদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র চলে যেত। ইজরায়েল, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপ— সব কিছুই ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত।”
ট্রাম্প আরও জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানের সামরিক ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন, “ওদের কোনও নৌসেনা নেই। কোনও বায়ুসেনা নেই। বিমান-বিধ্বংসী সরঞ্জাম নেই। রাডার নেই। ওদের নেতারাও উধাও।”
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান। তাদের মাধ্যমে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন ট্রাম্প। জানিয়ে দিয়েছেন, ''আমরা নির্ধারিত সময়ের আগে ওখান থেকে সরব না। তিন বছর পর আবারও একই ধরনের সমস্যার উদ্ভব হোক সেটা চাই না।'' পাশাপাশি তেহরানকে খোঁচা মেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানাচ্ছেন, ''ওদের নেতৃত্ব একেবারে অসংগঠিত। সবাই সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, কিন্তু নিজেদের মধ্যেই চরম বিশৃঙ্খলা...''
এদিকে মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা যদি ফের যুদ্ধ শুরু করে সেক্ষেত্রে নয়া যে পরিকল্পনা রয়েছে তা হল, ইরানের পরিকাঠামো ধ্বংস করতে সেখানে ছোট অথচ মারণ হামলা চালানো। সেন্টকমের আশা, এটি তেহরানের ওপর চাপ তৈরি করবে এবং তাকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করবে। মার্কিন বাহিনী আশা করছে, ব্যাপকহারে বোমা বর্ষণ শুরু হলে, শান্তি আলোচনার শর্ত নিয়ে আলোচনার সময় ইরান পারমাণু ইস্যুতে আরও নমনীয় হতে পারে।
