তিনি খামখেয়ালি। অনেকের কথায়, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প না কি সবই করতে পারেন।” সেটাই কি এবার প্রমাণ হতে চলেছে? চাঁদের মাটিতে সোনার প্রসাদ বানাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
সম্প্রতি ট্রাম্প (Donald Trump) তাঁর সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা নির্মিত একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বিশালাকার সোনার প্রাসাদ, যার নাম ‘ট্রাম্প টাওয়ার’। নাসার আর্তেমিস ২ চন্দ্রাভিযান সফল হওয়ার পরই ট্রাম্প এই ছবিটি পোস্ট করেন। ট্রাম্পের এই পোস্টের পর এটা স্পষ্ট যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাঁদেও নিজের প্রাসাদ বানাতে আগ্রহী। তবে এহেন ইচ্ছার কারণে বিদ্রুপবাণে জর্জরিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোস্টটির কমেন্টে তাঁকে কটাক্ষও করেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘অবশিষ্ট যা বোধশক্তি বেঁচে ছিল সেটাও হারিয়ে ফেলেছেন ট্রাম্প। তিনি একটা উন্মাদ।’ আরও এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘চাঁদের মাটিতে ট্রাম্পের টাওয়ার অত্যন্ত লজ্জাজনক।’
কিন্তু চাইলেই কি মানুষ এখন চাঁদে বাড়িঘর বানাতে পারবেন? উত্তর হল না। চাঁদে বসতি স্থাপনে মানুষের এখনও সময় লাগবে ৫০ বছরেরও বেশি সময়। মূল প্রতিবন্ধকতাগুলি হল - চাঁদের চরম তাপমাত্রা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণ শক্তির স্বাস্থ্যগত প্রভাব, পরিবহন সমস্যা ইত্যাদি। আর এধরনের বিশালাকার স্বর্ণ প্রাসাদ নির্মাণে লাগতে পারে প্রায় ১০০ বছর। এখানেই শেষ নয়, এধরনের নির্মাণের ক্ষেত্রে দরকার বিপুল পরিমাণ নির্মাণ সামগ্রীও। হয় এগুলি পরিবহন করে চাঁদে নিয়ে যেতে হবে না হলে চাঁদেই সেগুলির উৎপাদন করতে হবে, যার কোনওটাই বাস্তবসম্মত নয়।
