এবার সাংবাদিককে জেলে ভরার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)! সেটাও আবার সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়েই। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাফ জানিয়ে দেন, কোন সূত্র থেকে সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন সেটা জানাতে হবে। তা না হলে সোজা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে। উল্লেখ্য, ইরানে আটকে পড়া পাইলটকে উদ্ধার করতে বিশেষ অভিযান করেছিল আমেরিকা। সেই অভিযানের খবর প্রকাশ হতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন ট্রাম্প।
মার্কিন সেনা উদ্ধার নিয়েই সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। সেখানেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের ভিতর থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন খবর ফাঁস হয়েছে। কে ফাঁস করেছে এই তথ্য, সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও চলবে আইনি কার্যকলাপ। কোন সূত্র থেকে তাঁরা খবর জানতে পারছেন, সেটা যদি প্রকাশ না করেন তাহলে জেলে ভরা হবে সাংবাদিককে। উল্লেখ্য, নিউ ইয়র্ক টাইমস, ফক্স নিউজের মতো প্রথমসারির মার্কিন সংবাদমাধ্যমই প্রকাশ করেছিল সেনা উদ্ধারের অপারেশনের খবর। কিন্তু নির্দিষ্ট কারোর নাম উল্লেখ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উদ্ধারকাজে মোট ১৫৫টি বিমান নামানো হয়। ট্রাম্পের মতে, এই বিপুল সংখ্যক বিমানের অনেকটাই ব্যবহার হয়েছে ইরানকে স্রেফ বিভ্রান্ত করার জন্য।
ট্রাম্পের মতে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে ইরান জানতে পেরে গিয়েছিল যে মার্কিন সেনা সেদেশে আটকে পড়েছেন। তাই ইরানকে বিভ্রান্ত করতেও নানা পদক্ষেপ করতে হয়েছে বলে দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। উদ্ধারকাজে মোট ১৫৫টি বিমান নামানো হয়। তার মধ্যে রয়েছে ৪টি বম্বার, ৬৪টি ফাইটার, ১৩টি রেসকিউ বিমান। জ্বালানি সরবরাহের জন্যও ৪৮টি বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, এই বিপুল সংখ্যক বিমানের অনেকটাই ব্যবহার হয়েছে ইরানকে স্রেফ বিভ্রান্ত করার জন্য।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভেঙে পড়ে মার্কিন যুদ্ধবিমান। বিমান ধ্বংসের পর প্যারাস্যুটের মাধ্যমে মাটিতে নেমেছিলেন ওই পাইলট। কোনওভাবে ইরানি সেনার চোখ এড়িয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখেন। ইরানের সেনাবাহিনীকে পাইলটের থেকে দূরে রাখতে গত দু’দিন ধরে লাগাতার বোমাবর্ষণ করে মার্কিন সেনা। তারপরে উদ্ধার করা হয় আটকে পড়া সেনাকে। সেই নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দেন ট্রাম্প।
