একে তো সাধের নোবেল জোটেনি, তার উপর নোবেল কমিটিও বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না। এই অবস্থায় রাগে উন্মাদ হয়ে নরওয়ের প্রেসিডেন্টকে চিঠি লিখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চিঠিতে দেখা গেল গুচ্ছ গুচ্ছ ভুল। চিঠি ভাইরাল হতেই সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ট্রোলের শিকার হলেন ট্রাম্প। একেবারে পরীক্ষার খাতা দেখার মতো করে চিঠির ভুল শুধরে ব্যাকরণে বড্ড কাঁচা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নম্বরও দিয়েছেন নেটিজেনরা। সেই অনুযায়ী, চিঠি লেখার পরীক্ষায় 'D+' পেয়েছেন ট্রাম্প। বাংলায় যাকে বলা যেতে পারে 'ঘ'।
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া চিঠিতে দেখা যাচ্ছে হোয়াইট হাউসের স্ট্যাম্প। গুরুত্বপূর্ণ সেই কূটনৈতিক চিঠির ছত্রে ছত্রে রয়েছে ভুল। শুধু ব্যাকরণগত ভুল নয়, শিষ্টাচারের নামমাত্র নেই চিঠিতে। সাধারণত এই ধরনের কূটনৈতিক চিঠি শুরু করা হয়, 'প্রিয় মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার' লিখে। সেখানে ট্রাম্প লিখেছেন, 'প্রিয় জোনাস'। কোথাও শব্দের শেষে অযথা 'S' যোগ করা হয়েছে, তো কোথাও বাক্যের শুরুতে 'I' (আমি) ব্যবহার করতে ভুলে গেছেন। ৮ যুদ্ধ থামানোর যে দাবি চিঠিতে করা হয়েছে সেখানে '8'-এর পরিবর্তে 'eight' লেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গোটা চিঠির অজস্র ভুল লাল কালিতে চিহ্নিত করে প্রতিটি ভুল শুধরে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সবশেষে সে দেশের পরীক্ষার গ্রেডিং সিস্টেম অনুযায়ী নম্বরও দেওয়া হয়েছে। চিঠির একেবারে উপরে ডানদিকে দেওয়া হয়েছে পরীক্ষার ফলাফল। সেখানে দেখা যাচ্ছে চিঠির পরীক্ষায় 'D+' অর্থাৎ পাশ নম্বরও পাননি ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের তরফে পাঠানো সেই চিঠি যা ভাইরাল সোশাল মিডিয়ায়।
উল্লেখ্য, নোবেল না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টোরকে সপ্তাহখানেক আগে চিঠি লিখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিতে লেখেন, ‘৮টির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও আপনার দেশ আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এখন থেকে শান্তির বিষয়ে চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন অনুভব করি না আমি। অবশ্য শান্তি শান্তির মতোই থাকবে, কিন্তু এখন থেকে আমি শুধু আমেরিকার জন্য কোনটা ভালো ও সঠিক সেদিকেই মননিবেশ করব।’ সেই চিঠিরই এবার ভুল ধরে ট্রাম্পকে খোঁচা দিল নেটিজেনরা।
