সিঁদুর অভিযানে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা! ভারতীয় সেনাই আকাশের দখল নিয়ে ফেলেছিল। বেগতিক বুঝে তাই ইসলামাবাদই নয়াদিল্লির কাছে সেই সময় সংঘর্ষবিরতির আর্জি জানায় বলে দাবি করা হল সুইৎজারল্যান্ডের একটি সামরিক সংস্থার গবেষণায়।
ঘটনাচক্রে, সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ভারতে সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের আবহেই এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে সুইজ়ারল্যান্ডের সংস্থা ‘সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পারস্পেক্টিভ স্টাডিজ’। তাদের গবেষণায় দাবি, গত বছর ৭-১০ মে পর্যন্ত ৮৮ ঘণ্টার যে সংঘর্ষ বেধেছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে, তাতে আন্তর্জাতিক মহল একটি রাফালের ধ্বংস নিয়েই বেশি মাতামাতি করেছে। কিন্তু গোটা টানাপড়েনে একটি বড় দিক তাদের নজর এড়িয়ে গিয়েছে। তা হল, ভারত অত্যন্ত সুকৌশলে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছিল সেই সময়ে। তাই ভারতের শর্তেই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের অবসান হয়। এতেই স্পষ্ট হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় বিমানবাহিনীর শক্তির দিক দিয়ে ভারত অনেকটাই এগিয়ে।
গত বছর এপ্রিলে জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার ২৬ জনের মৃত্যু হয়। তার পরেই ভারতীয় সেনা পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে প্রত্যাঘাত করে ন'টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়। এই অভিযানের নামই অপারেশন সিঁদুর। এর পরেই ভারতের হামলা চালায় পাক সেনা। সুইস সংস্থার রিপোর্টে দাবি, গত ৭ মে দু'দেশের মধ্যে সংঘর্ষের শুরুর সময়ে পাকিস্তান যে ভাবে প্রত্যাঘাত করেছিল, তাতে খানিক বিপাকেই পড়ে ভারতীয় সেনা। অন্তত একটি রাফালে, মিরাজ ২০০০-সহ একটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে পাকিস্তানে 'জয়' হিসাবে দেখলেও পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে দ্রুত। ভারত সুকৌশলে স্কাল্প ইজি এবং ব্রাহ্মসের মতো ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিল। এর পর থেকেই শুরু হয় নিখুঁত মাপে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার।
