রেগে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এক মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারিয়ে রীতিমতো ছাপার অযোগ্য ভাষাতেও তিনি গালাগাল দিয়েছেন বলে দাবি। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিও।
কিন্তু কোন প্রশ্নে এমন প্রতিক্রিয়া ট্রাম্পের? বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল মলে আচমকাই হাজির হন ট্রাম্প। সেখানে দেশের আড়াইশোতম বর্ষপূর্তি উদযাপনে একটি পুল পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। কর্মীদের কাজের প্রশংসাও করেন প্রেসিডেন্ট। এরপরই তাঁকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের রিপোর্টার র্যাচেল স্কট প্রশ্ন করেন, ''মিস্টার প্রেসিডেন্ট, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মাঝেই আপনি এখানে এসেছেন। এখন এই সব প্রকল্পে ফোকাস করছেন কেন? আমরা দেখতে পাচ্ছি, গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে।''
সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প বলে ওঠেন, ''কেন বলুন তো? আসলে আমাদের দেশটাকে সুন্দর ও নিরাপদ রাখাই লক্ষ্য। হ্যাঁ, সুন্দরও। এসব কী বোকা বোকা প্রশ্ন করছেন!'' এরপরই ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত কর্মীদের বলেন, ''উনি তো এবিসি ফেক নিউজের সাংবাদিক। একটা আস্ত হরর শো। এমন প্রশ্ন করছেন, যা আমাদের দেশের মর্যাদার পরিপন্থী।'' এখানেই শেষ নয়। এরপর ট্রাম্প যখন নিজের লিমুজিন গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, সেই সময় ওই মহিলা সাংবাদিকের দিকে তাকিয়ে তাঁকে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। পাশাপাশি এমন এক শব্দ ব্যবহারও করতে দেখা যায়, যা ছাপার অযোগ্য। ক্যামেরায় মুহূর্তটি ধরা পড়লেও শব্দটি ধরা পড়েনি। তবে নেটিজেনরা জানাচ্ছেন, ট্রাম্পের ঠোঁটের নড়াচড়া দেখে বোঝা যাচ্ছে, তিনি কী বলছেন।
উল্লেখ্য, দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের। কবে লড়াইয়ে যতিচিহ্ন পড়বে তা এখনও অজানা। এই পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর দাবি! ইরানের কৃত্রিম উপগ্রহ প্রকাশিত ছবি থেকে দেখা গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিতে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। যে তথ্য চেপে রাখতে চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনেই এই দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শতাধিত কৃত্রিম উপগ্রহে তোলা ছবি থেকে পরিষ্কার ১৫টি সেনা ঘাঁটিতে অন্তত ২২৮টি নির্মাণের ভাঙা অংশ দেখা গিয়েছে। এটি আমেরিকার মতো প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য ক্ষতির ইঙ্গিত।
