দুই গোষ্ঠীর ভয়ংকর সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল গুরুদ্বার (Germany Gurdwara Clash)। কৃপাণ, ছুরি, পেপার স্প্রে হাতে আস্ফালনের পাশাপাশি চলল গুলি। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। গত রবিবার ভয়াবহ এই ঘটনা ঘটেছে জার্মানির মোয়ার্স শহরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামে বিশাল পুলিশ বাহিনী। দুই গোষ্ঠীর অন্তত ৪০ জন সদস্য এই সংঘর্ষে লিপ্ত হন বলে জানা যাচ্ছে।
পুলিশ এই সংঘর্ষের কারণ স্পষ্ট না করলেও স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার বিকেলে ওই গুরুদ্বারে অতর্কিতে হামলা চালায় একটি দল। প্রতিপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে পেপার স্প্রে ব্যবহার করা হয় এরপর ছুরি ও বন্দুক হাতে চলে আক্রমণ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৫৬ বছরের এক ব্যক্তি বলেন, "হামলার পরিকল্পনা করেই একটি পক্ষ গুরুদ্বারে এসেছিল। প্রার্থনা শুরুর কিছুক্ষণ আগে হামলাকারীরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এরপর একজন পিস্তল দিয়ে গুলি চালায়। ছুরি হাতেও হামলা চালাতে দেখি একজনকে।"
৫৬ বছরের এক ব্যক্তি বলেন, "হামলার পরিকল্পনা করেই একটি পক্ষ গুরুদ্বারে এসেছিল। প্রার্থনা শুরুর কিছুক্ষণ আগে হামলাকারীরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এরপর একজন পিস্তল দিয়ে গুলি চালায়। ছুরি হাতেও হামলা চালাতে দেখি একজনকে।"
মনে করা হচ্ছে, গুরুদ্বারে কমিটির নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক মতানৈক্যের জেরে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল। এই ধর্মীয় স্থানের কর্তৃত্ব কার হাতে থাকবে তা নিয়ে অশান্তি চলছিল। সেখান থেকেই এই হিংসার সূত্রপাত। হিংসা শুরু হতেই বহু মানুষকে দেখা যায় পড়িমরি করে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছেন। যে ১১ জন আহত হয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগই মাথায় চোট পেয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হিংসায় জড়িত বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
