আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ থেমেছে ঠিকই, তবে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান জারি রেখেছে ইজরায়েল। সেই অভিযানেই এবার খতম হামাসের সেনাপ্রধান ইজ আল দিন আল হাদ্দাদ। শনিবার ইজরায়েল সেনার তরফে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে এই তথ্য। বলা হয়েছে, শুক্রবার গাজা সিটিতে অভিযান চালিয়েছিল সেনা। সেই অভিযানেই মৃত্যু হয়েছে হাদ্দাদের। হামাসের তরফেও এই মৃত্যুর খবর স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।
এএফপির রিপোর্ট অনুযায়ী, হামাসের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ইজরায়েলের হামলায় মৃত্যু হয়েছে হাদ্দাদের। উনি ওই এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শুক্রবার সেখানেই বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। সেই হামলাতেই মৃত্যু হয় হাদ্দাদের। এই মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে গাজার সাধারণ জনগণ। হাদ্দাদের মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে জড়ো হন হাজার হাজার নাগরিক। বহু শিশুকেও দেখা যায় শেষ যাত্রায়।
শুক্রবার গাজা সিটিতে অভিযান চালিয়েছিল সেনা। সেই অভিযানেই মৃত্যু হয়েছে হাদ্দাদের। হামাসের তরফেও এই মৃত্যুর খবর স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।
ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IDF)-এর তরফে জানানো হয়েছে, ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের মাটিতে হামাস যে হামলা চালিয়েছিল, সেই হামলার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল এই হাদ্দাদ। দীর্ঘদিন ধরে ইজরায়েলের হিট লিস্টে ছিল এই সেনাপ্রধান। ইজরায়েল সেনা জানিয়েছে, "হাদ্দাদ ছিল বেঁচে থাকা হামাসের সেই জঙ্গিদের একজন যে ৭ই অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিল। একইসঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন হাদ্দাদ বিপুল সংখ্যক ইজরায়েলি পণবন্দীকে নিজের হেফাজতে রেখেছিল। নিজের প্রাণ বাঁচাতে হাদ্দাদ পণবন্দিদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত।"
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত বছরের ১১ অক্টোবর ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্পন্ন হয়। তবে যুদ্ধবিরতি সম্পন্ন হলেও অভিযান থামেনি। সংঘর্ষবিরতির পর থেকে এখনও পর্যন্ত গাজায় ইজরায়েলি সেনার হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭০ জনের। আহতের সংখ্যা ২৫৪৩ জন।
