সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাদের কাছে থাকা ১৫ ইজরায়েলি পণবন্দির দেহ তারা ফিরিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কেবল দরকার কিছুটা সময়। এমনটাই জানাল হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়া। এদিকে সোমবারই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্বীকার করেছেন, হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তাই জবাব দিতে গত রবিবার, ১৯ অক্টোবর ১৫৩ টন বোমা ফেলা হয়েছে গাজায়। তাঁর কথায়, ''আমার এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাত বাড়ানো রয়েছে শান্তির জন্য।''
আল-কাহিরা আল-আখবারিয়া চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাস নেতা খলিল বলেছে, ''চুক্তি মেনে আমরা সমস্ত মৃত পণবন্দির দেহ উদ্ধার করে তা হস্তান্তর করতে প্রস্তুত। আমাদের কাউকে নিজেদের কাছে রাখার কোনও ইচ্ছা নেই। আমরা চাই, তাঁদের দেহ আত্মীয়দের কাছে ফিরিয়ে দিতে। সেই সঙ্গে আশা, আমাদের শহিদরাও ফিরে আসবেন। এবং মর্যাদার সঙ্গে সমাহিত হবেন।'' তবে এর জন্য কিছুটা সময় দরকার বলেও জানাচ্ছে সে। কেননা কার্যতই ধ্বংসস্তূপের আড়ালে রয়েছে দেহগুলি। তবে সেগুলি উদ্ধার করতে সময় লাগবে বলেই দাবি তাঁর।
এদিকে নেতানিয়াহু সোমবার দাবি করেছেন, ''আমার এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাত বাড়ানো রয়েছে শান্তির জন্য। দুর্বলের সঙ্গে নয়, শক্তিশালীর সঙ্গেই লোকে শান্তি চুক্তি করে। ইজরায়েল আজ সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।'' তিনি জানাচ্ছেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে হামাস। আর তাই ১৫৩ টন বোমা ফেলেছে ইজরায়েলি সেনা।
একই দাবি করতে দেখা গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও। ইজরায়েলে ফের হামলার ষড়যন্ত্র করছে হামাস- এমন রিপোর্ট সামনে আসার পর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘‘ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করলে হামাসকে সমূলে বিনাশ করা হবে।’’
