২০২৩ সালের অক্টোবর থেকেই তিনি গরাদের আড়ালে। বহুদিন তাঁর খোঁজ মিলছিল না বলে দাবি ছিল পরিবারের। অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাস পরে বোন নোরিন নিয়াজি এবং স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
মঙ্গলবারই বড় নির্দেশ দেয় পাক সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দিয়েছিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অসুস্থ ইমরানকে ভর্তি করতে হবে বেসরকারি হাসপাতালে। ফলে এটা পরিষ্কার হয়ে যায়, এবার জনসমক্ষে দেখা যাবে ইমরানকে। এরপরই বুধবার জেলে গিয়ে ইমরানের সঙ্গে দেখা করলেন তাঁর বোন। দেখা হয়েছে স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গেও। এমনটাই দাবি সংবাদমাধ্যমের। জানা গিয়েছে, ইমরানের বোন পনেরো মিনিট সাক্ষাৎ করেছেন তাঁর সঙ্গে। তবে জেলের কনফারেন্স রুমে তাঁদের মধ্যে ঠিক কী কথা হয়েছে তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশই রয়েছে, ইমরানের বিষয়টি নিয়ে কোনওভাবেই রাজনীতি করা যাবে না। তাই সতর্ক হয়েই তাঁর পরিবার চুপ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে বুশরা বিবিও কনফারেন্স রুমেই দেখা করেছেন ইমরানের সঙ্গে। শোনা যাচ্ছে, সাক্ষাৎটি ছিল ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের। উল্লেখ্য, বুশরা নিজেও আদিয়ালা জেলে বন্দি রয়েছেন। তিনি ইমরানের পাশাপাশি র সন্তান মুসা ও মুবাশশারা মানেকা এবং ননদ মেহরুন্নিসার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত গতকাল জানিয়েছে, শিফটা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে ইমরানকে। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে সেখানেই রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন খানের সঙ্গে দেখা করতে দিতে হবে তাঁর পরিবারের সদস্য ও বন্ধুস্বজনদের। এছাড়া এও জানানো হয়েছে, ইমরানের চিকিৎসার জন্য যে কমিটি গঠন করতে হবে, সেখানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ইমরানের বোন ড. উজমা খানকে। সেই সঙ্গেই ইমরানের আত্মীয়দেরও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন ইমরানের মেডিক্যাল রিপোর্ট মিডিয়ার কাছে না আনেন। এবং গোটা বিষয়টা নিয়ে রাজনীতি না করেন।
