সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুলেটপ্রুফ ট্রেনে চিনে পৌঁছলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন। ১৪ বছর ধরে পিয়ংইয়ং-এর শাসনভার সামলাচ্ছেন তিনি। কিন্তু একযুগেরও বেশি সময় ধরে মসনদে থেকেও আন্তর্জাতিক আঙিনায় সেভাবে দেখা যায়নি তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, চিনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার জোট আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এর ফলে।
জানা গিয়েছে, কিমের সঙ্গে রয়েছেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী চো সন-হুই ও অন্য সিনিয়র আধিকারিকরা। এর আগে ২০২৩ সালে কিমকে দেখা গিয়েছিল রাশিয়া সফরে যেতে। এর আগে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি গিয়েছিলেন চিনে। অবশেষে প্রায় ৬ বছরেরও বেশি সময় পরে ফের বেজিংয়ে কিম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে চিনের লড়াইয়ের ৮০ বছর পূর্তিতে আয়োজিত কুচকাওয়াজের সাক্ষী থাকবেন তিনি। পুতিন ও জিনপিংয়ের পাশে বসে কিমকে দেখতে পাওয়া নিশ্চিত ভাবে আন্তর্জাতিক আঙিনায় এক বিরল দৃশ্য হয়ে থাকবে।
বলে রাখা ভালো, দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর কোরিয়ার প্রধান 'পৃষ্ঠপোষক' হয়ে থেকেছে চিন। আমেরিকা ও পশ্চিমি বিশ্বের বহু দেশ নানা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে বেজিং পাশে থেকেছে কিমের। পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে উত্তর কোরিয়ার। এদিকে ভারত গত জুনে উত্তর কোরিয়াতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করেছে। যদিও বরাবরই ভারতের দূতাবাস ছিল। ২০২১ সালে কোভিড কালে দূতাবাস বন্ধ করে আধিকারিকদের ফিরিয়ে আনা হয়। তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক কখনওই ছিন্ন হয়নি। ২০২৪-এর ডিসেম্বরেই জানা গিয়েছিল নতুন বছরের শুরুতেই পিয়ং ইয়ংয়ে ভারতের দূতাবাস চালু হচ্ছে। দূতবাসের কার্যক্রমে গতি আনতেই এবার সেখানে রাষ্ট্রদূত হিসাবে আলিওয়াতি লংকুমারকে নিয়োগ করা হয়। দুনিয়ায় মাত্র ১০টি দেশের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক বরাবর অটুট। ভারত তার মধ্যে অন্যতম। তবে এই প্রথম কিমের দেশে সমস্ত সুবিধা-সহ দূতাবাস চালু করেছে দিল্লি।
