যে দেশের গায়ে গণহত্যার কলঙ্ক রয়েছে, তাদের কাশ্মীর নিয়ে কথা বলাটা হাস্যকর। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ১৯৭১ সালের ঘটনার কথা মনে করিয়ে তোপ দাগল ভারত। একইসঙ্গে নয়াদিল্লি জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই ‘দীর্ঘ কলঙ্কিত’ ইতিহাস এটাই প্রমাণ করে যে, তারা দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে হিংসা ছড়িয়ে অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতাকে অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টায় মগ্ন থাকে।
বুধবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক বিতর্কসভা ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি। সভায় পাক প্রতিনিধি জম্মু ও কাশ্মীরের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তারই পালটা জবাব দেয় ভারত। পার্বথানেনি বলেন, “গণহত্যার দীর্ঘ কলঙ্কিত ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করছে।” অন্যদিকে, আফগানিস্তানে ইসলামাবাদের সামরিক অভিযান নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। বলেন, “বিশ্ব ভোলেনি যে, চলতি বছর পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। বিশ্ব তা ভোলেনি।” তিনি আরও বলেন, “এই কাপুরুষোচিত এবং হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ২৬৯ জন নিরীহ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১২২ জন। এটি সমর্থনযোগ্য নয়। যারা অন্ধকারে নিরীহ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায়, তাদের মুখে নীতির কথা বলা মানায় না। এটা দ্বিচারিতা।”
পাকিস্তানের 'কলঙ্গিত ইতিহাস'-এর কথা বলতে গিয়ে ১৯৭১ সালের গণহত্যার কথা মনে করান পার্বথানেনি। তিনি বলেন, "সেই বছর অপারেশন সার্চলাইটের সময় পাক সেনাবাহিনী নিজেদের দেশের প্রায় চার লক্ষ নারীকে গণধর্ষণ করে এবং গণহত্যা করে।"
