রাষ্ট্রসংঘে ফের পাকিস্তানের মুখোশ খুলল ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা সভায় ভারতের রাষ্ট্রদূত পাকিস্তানকে 'ঘৃণার সংগঠিত কারখানা বলে উল্লেখ করলেন। আফগানিস্তানের মাটিতে বিমান হামলার তীব্র নিন্দা করে রাষ্ট্রদূত পর্বথানেনি হরিশ বললেন, নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিচ্ছে পাকিস্তান। গণহত্যা চালানো হচ্ছে ওখানে।
আফগানিস্তানে পাক সেনার হামলার ব্যাপক সমালোচনা করে ভারতের রাষ্ট্রদূত বলেন, "ওখানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গণহত্যা চালাচ্ছে। ফলে গণহত্যাকে সামরিক অভিযান বলে চালিয়ে অপরাধকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। সাধারণ নাগরিকদের হত্যা, শিশুদের অনাথ করা কোনওভাবেই সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ হতে পারে না।" ভারতের তোপ, "আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির নিয়ে বড় বড় জ্ঞান দেওয়া পাকিস্তান নিজেই পবিত্র রমজান মাসে নির্মম বিমান হামলা চালিয়েছে। এটাই পাকিস্তানের ভণ্ডামির সবচেয়ে জঘন্য উদাহরণ।" শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের অপপ্রচারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে ভারত।
ভারতের তোপ, "আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির নিয়ে বড় বড় জ্ঞান দেওয়া পাকিস্তান নিজেই পবিত্র রমজান মাসে নির্মম বিমান হামলা চালিয়েছে। এটাই পাকিস্তানের ভণ্ডামির সবচেয়ে জঘন্য উদাহরণ।"
পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে ভারত সমর্থিত প্রক্সি সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেছে ইসলামাবাদ। এর গালভরা একটি নামও দিয়েছে শাহবাজ সরকার। তা হল, 'ফিতনা আল-হিন্দুস্তান'। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের তরফে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সরকার ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে। পাকিস্তানের নাগরিক ও আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিভ্রান্ত করতে পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যে ছড়ানো হচ্ছে। কোনও প্রমাণ ছাড়া ভারতের বিরুদ্ধে আঙুল তোলা ওদের দীর্ঘদিনের অভ্যাস। আসলে পাকিস্তান তাদের অভ্যন্তরীণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করতে না পেরে এইসব ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরু থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত সমস্যা চরম আকার নিয়েছে। সন্ত্রাস দমনের নামে আফগানিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করে দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। শুরু থেকেই এই নৃশংসতার তীব্র প্রতিবাদ করে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। এবার রাষ্ট্রসংঘেও বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে একহাত নিল দিল্লি।
