'সুপার রেস' তৈরির কথা ভাবতেন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন। মনে করতেন, তাঁর ঔরস থেকেই জন্ম নেবে সেই 'উন্নততর মানবজাতি'! এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে আমেরিকার নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকেও পরীক্ষাগার হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি। এমনটাই দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর প্রতিবেদনে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের এই পরিকল্পনার কথা অনেক জ্ঞানীগুণি ব্যক্তিকেই জানিয়েছিলেন এপস্টেইন। সেই কারণে অনেকেই তাঁর নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকে অনেকেই ‘বেবি র্যাঞ্চ’ বলতেন। যদিও এপস্টেইনের সেই পরিকল্পনা শেষমেশ কার্যকর হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
অনেকের মত, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা 'ট্রান্সহিউম্যানিজম' নামে এক বিতর্কিত ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই মতবাদ অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা ‘উন্নত’ করা সম্ভব। তবে 'ট্রান্সহিউম্যানিজমের' সঙ্গে 'ইউজেনিক্সের' তুলনা টেনে থাকেন সমালোচকেরা।
রিপোর্টে লেখা হয়েছে, নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা দাবি করেছেন, এপস্টেইন চাইতেন একসঙ্গে অন্তত ২০ জন গর্ভবতী মহিলাকে ওই প্রাসাদে রাখার কথা ভেবেছিলেন। নোবেলজয়ীদের শুক্রাণু সংগ্রহের জন্য তৈরি 'রিপোজিটরি ফর জার্মিনাল চয়েস' নামে একটি পুরনো স্পার্ম ব্যাঙ্কের ধারণাও তাঁকে অনুপ্রাণীত করেছিল। ়
অনেকের মত, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা 'ট্রান্সহিউম্যানিজম' নামে এক বিতর্কিত ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই মতবাদ অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা ‘উন্নত’ করা সম্ভব। তবে 'ট্রান্সহিউম্যানিজমের' সঙ্গে 'ইউজেনিক্সের' তুলনা টেনে থাকেন সমালোচকেরা। প্রসঙ্গত, নীরোগ জাতি গঠনের উদ্দেশ্যেই 'ইউজেনিক্স' ধারণার জন্ম হয়েছিল হিটলারের জার্মানিতে। ইউজেনিক্সের মূল বিষয় হল, কোনও জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মগুলো থেকে যাবতীয় অনভিপ্রেত জিন দূর করা।
