একদিকে যখন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে তোরজোর শুরু করেছে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল, তখন মঙ্গলবার স্পিকারের প্রতি 'পূর্ণ আস্থা' প্রকাশ করে তাঁকে চিঠি লিখলেন এগারো জন বিজেপি সাংসদ। পাশাপাশি স্পিকারের প্রতি বিরোধী দলগুলির আচরণের সমালোচনা করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের সাংসদদের চিঠিতে।
গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর শারীরিক হামলার আ্রশঙ্কায় অধিবেশন মুলতুবি করেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টিকে ভালো ভাবে নেয়নি কংগ্রেস-সহ দেশের বিরোধী দলগুলি। শাসকের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে এনে ওমের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজেট অধিবেশনেই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রস্ততি নিচ্ছে বিরোধী দলগুলি। উল্লেখ্য, স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধী অভিযোগের মধ্যে সোমবারও সংসদের বাজেট অধিবেশন ব্যাহত হয়েছে।
বিরোধীদের অভিযোগ, একাধিক বিষয়ে আলোচনার দাবি জানালেও ক্ষমতাসীন সরকার আলোচনার অনুমতি দিতে রাজি নয়। এমনকী বিরোধী দলের নেতাদের কথা বলতেই দেওয়া হচ্ছে না। ইচ্ছে মতো বারবার অধিবেশন মুলতুবি করে দিচ্ছেন লোকসভার অধ্যক্ষ। উল্লেখ্য, প্রাক্তন সেনাপ্রধান এমএম নারাভানের বিতর্কিত বই নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
প্রসঙ্গত, এই বইয়ে লাদাখে চিনা আগ্রাসন সংক্রান্ত বিষয় যা লেখা হয়েছে, তার একটি অংশ সংসদে গত সোমবার পড়তে চেয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু শাসকশিবিরের বিরোধিতা এবং স্পিকার বাধা দেওয়ায় কংগ্রেস নেতা তা পড়তে পারেননি। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সংসদে আসার ‘ধক’ নেই বলে বুধবার রাহুল মন্তব্য করেছিলেন। বাস্তবেই সংসদে আসেননি মোদি। যদিও বিস্ফোরক কারণ জানানো হয় সরকারের তরফে।
