shono
Advertisement
Donald Trump

পরমাণু অস্ত্রে না! ইরানের থেকে 'বিরাট উপহার' পাওয়ার দাবি ট্রাম্পের, যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত আমেরিকার

ওভাল অফিস থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে ট্রাম্প জানালেন, ইরানের থেকে বিরাট মূল্যের উপহার পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে আমেরিকার দাবিও নাকি মেনে নিয়েছে তেহরান।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 09:01 AM Mar 25, 2026Updated: 09:23 AM Mar 25, 2026

২৬ দিনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি? এবার তেমনই ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিন ওভাল অফিস থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে ট্রাম্প জানালেন, ইরানের থেকে বিরাট মূল্যের উপহার পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে আমেরিকার দাবিও নাকি মেনে নিয়েছে তেহরান। সবমিলিয়ে ট্রাম্পের দাবি, 'সঠিক লোকেদের সঙ্গে কথা হচ্ছে।'

Advertisement

পশ্চিম এশিয়ায় ৩ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত গোটা বিশ্ব। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সংকট চরম আকার নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "ওরা (ইরান) অসাধারণ কাজ করেছে। ওরা আমাদের একটি উপহার দিয়েছিল। সেই উপহার আজ এসে পৌঁছেছে। উপহারটি অনেক বড় ও ভীষণ মূল্যবান।" তবে সে উপহার কী তা স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। বলেন, "সেটা এখন আপনাদের বলব না। তবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে আমি বুঝতে পেরেছি আমরা সঠিক লোকেদের সঙ্গেই আলোচনা করছি।" এই উপহার যে হরমুজ সম্পর্কিত সে কথাও এদিন জানান ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "ওরা (ইরান) অসাধারণ কাজ করেছে। ওরা আমাদের একটি উপহার দিয়েছিল। সেই উপহার আজ এসে পৌঁছেছে। উপহারটি অনেক বড় ও ভীষণ মূল্যবান।"

শুধু তাই নয়, আমেরিকার দীর্ঘদিনের দাবি মেনে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকেও বেরিয়ে আসছে বলে দাবি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, "এখনই সবটা বলতে চাই না, তবে এটুকু বলতে পারি ওরা আর কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না।" এর পাশাপাশি আমেরিকার বিজয়ধ্বজা উড়িয়ে ট্রাম্প বলেন, "এই যুদ্ধে আমেরিকা জয়ী হয়েছে। আমরা ইরানের পরমাণু সক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছি। যা ওরা মধ্য এশিয়ায় আমাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারত। ইরানের নেতৃত্ব, নৌবাহিনী এবং রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমাদের যুদ্ধবিমান এখন তেহরানের আকাশে উড়ছে। আমাদের এই সামরিক অভিযান অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে।" ট্রাম্পের কথায়, "ওরা এখন একটা চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঠিক কতটা মরিয়া তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না।"

ট্রাম্প বলেন, "এখনই সবটা বলতে চাই না, তবে এটুকু বলতে পারি ওরা আর কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না।"

তবে ট্রাম্প এহেন দাবি করলেও ইরান কিন্তু অন্য কথাই বলছে। সম্প্রতি ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইয়ের সেনা উপদেষ্টা মোহসিন রেজাই জানান, “যদি ট্রাম্প ইরানের কোনও পরিকাঠামোতে আঘাত হানে তাহলে এই ঘটনা ‘চোখের বদলে চোখে’ সীমিত থাকবে না। চোখের বদলে মাথা, হাত ও পা ভেঙে দেওয়া হবে। আমেরিকাকে খোঁড়া করে দেওয়া হবে।” শুধু তাই নয়, যুদ্ধবিরতির শর্তে ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, “যুদ্ধ ততদিন জারি থাকবে যতদিন না আমেরিকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। এই যুদ্ধে ইরানের যা কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সমস্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে।” সংঘর্ষবিরতির দ্বিতীয় শর্তে বলা হয়েছে, “ইরানের উপর দীর্ঘ বছর ধরে জারি থাকা সমস্ত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিতে হবে।” এবং তৃতীয়ত, “আন্তর্জাতিক আইনি গ্যারান্টি দিতে হবে যে ওয়াশিংটন ইরানের কোনও বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। তাহলেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement