মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ক্রমেই ঘন হচ্ছে। আমেরিকা আক্রমণ করেছেন ইরানের (Iran) 'মুকুট' খার্গ দ্বীপে। পালটা আমিরশাহী, বাহরিনের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। এমনই পরিস্থিতিতে ইজরায়েলকে (Israel) গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে ইরানে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি। পশ্চিম আজারবাইজানের সরকারি কৌসুলির দপ্তর থেকে এমনই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
দাবি, অভিযুক্তরা ইরানের সেনা ঘাঁটি ও নিরাপত্তা বিভাগ সম্পর্কিত গোপন খবর পাচার করছিল তেল আভিভের কাছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমের বিভিন্ন জায়গা থেকেই চলেছে গ্রেপ্তারি। তবে চরবৃত্তির সপক্ষে কোনও প্রমাণ পেশ না করেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি। গত সপ্তাহেই সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানানো হয়েছে, ইজরায়েল এখন ইরানের প্রতিরক্ষা চেকপয়েন্ট ধরে ধরে আক্রমণ করছে। আর এটা সম্ভব হচ্ছে তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলেই।
ভারতীয় সময় অনুযায়ী শনিবার ভোরে ইরানের ‘মুকুট’ খার্গ দ্বীপে হামলা চালায় আমেরিকা। একে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খার্গ দ্বীপের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপরই পালটা দেয় তেহরান। ইসলামিক গার্ড কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তিনটি মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বাহরিন ও কুয়েতেও আক্রমণ চালিয়েছে তারা। এহেন সংঘাঙঅতের আবহেই মিলল ইরানের গুপ্তচরদের খবর।
এদিকে তৈল ধমনী হরমুজে মিসাইল তাক করে রেখেছে ইরান। যার জেরে বিশ্বজুড়ে ধাক্কা খাচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ। এবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে হাজির হাউথিরাও। যে কোনও সময় তারা যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে সবার আগে বন্ধ হতে পারে আরেক প্রণালী। যার নাম বাব এল-মান্ডেব। আর সত্যিই সেটা বন্ধ হলে জ্বালানি সংকট আরও বহুমাত্রায় তীব্র হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা।
