ইরানের ‘মুকুটে’ হামলা করেছিল আমেরিকা। এবার 'বদলা' নিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাহরিনের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাল তেহরান। ইসলামিক গার্ড কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তিনটি মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বাহরিন ও কুয়েতেও আক্রমণ চালিয়েছে তারা। এদিকে ইজরায়েলের দাবি, তাদের দিকেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। কিন্তু তারা তা প্রতিহত করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূলবর্তী শহর ফুজাইরাতে অবস্থিত সে দেশের বৃহত্তম তৈলভাণ্ডার। সেখানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও আরব দেশের তরফে এই নিয়ে কিছু বলা হয়নি। কেবল একটি ভাণ্ডারে আগুন লাগার কথা স্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু কোনও কারণ দর্শানো হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূলবর্তী শহর ফুজাইরাতে অবস্থিত সে দেশের বৃহত্তম তৈলভাণ্ডার। সেখানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও আরব দেশের তরফে এই নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
এদিকে বাহরিনের মানামায় ভোরেই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। বাহরিনের তরফে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইরানের ১২৫টি মিসাইল ও ২০৩টি ড্রোনকে ধ্বংস করে হামলা রুখেছে। শনিবার রাতে হামলা হয়েছে ইরাকের রাজধানী বাদগাগের বিমানবন্দর চত্বরেও। এক সেনা ঘাঁটি ও মার্কিন কূটনৈতিক বিভাগের ভবনে আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। যদিও ক্ষয়ক্ষতির কথা কিছু জানা যায়নি এখনও পর্যন্ত।
প্রসঙ্গত, ভারতীয় সময় অনুযায়ী শনিবার ভোরে ইরানের ‘মুকুট’ খার্গ দ্বীপে হামলা চালায় আমেরিকা। একে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খার্গ দ্বীপের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল করতে না দিলে সেখানেও অচিরে হামলা করতে পারে ওয়াশিংটন।
বাহরিনের মানামায় ভোরেই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। বাহরিনের তরফে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইরানের ১২৫টি মিসাইল ও ২০৩টি ড্রোনকে ধ্বংস করে হামলা রুখেছে।
রবিবার ট্রাম্প ফের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, খার্গ দ্বীপে আবারও হামলা করবে আমেরিকা। উল্লেখ্য, ইরানের উপকূল থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র। এখান থেকেই যাবতীয় অপরিশোধিত তেল বিদেশে পাঠায় তেহরান। এখানে বড় আঘাত মানেই যে ইরানের অর্থনীতির ‘বুকে’ হামলা তা বলাই যায়। এর মধ্যেই পালটা দিতে শুরু করল ইরান।
