অবশেষে হতে চলেছে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে বহু প্রত্যাশিত দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক (US Iran Peace Talks)। শুক্রবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন প্রতিনিধি দল সঙ্গে নিয়ে। ইরানের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এবার সরাসরি কথা বলবে না দু'পক্ষ। পাকিস্তানই মধ্যস্থতা করবে। এবং তারাই উভয়পক্ষের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করবে। এদিকে জানা যাচ্ছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলেরও শিগগিরি পাকিস্তানে এসে পড়ার কথা রয়েছে। আমেরিকার তরফে স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের এখানে আসার কথা। উল্লেখ্য, কুশনার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরানের সুপ্রিম লিডার-সহ একঝাঁক নেতৃত্বের মৃত্যু হয়েছে। তারপর প্রায় দেড়মাস ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলেছে। তারপর ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়েছে দুই দেশ। এই সময়টার মধ্যে দুপক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাবে, এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে বসে দুই দেশ। সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়। এবার নজর দ্বিতীয় বৈঠকের দিকে। এবার কি জট খুলবে? আপাতত এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।
আরাঘাচি জানিয়েছেন, এই সফরে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা তাঁর। এদিকে পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে আরাঘাচি-সহ ইরানের প্রতিনিধি দলের পাকিস্তানে আগমনের খবর সকলকে জানিয়েছেন। যে ছবি তিনি শেয়ার করেছেন, সেখানে তাঁকে মুনির ও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে আরাঘাচিদের স্বাগত জানাতে দেখা গিয়েছে।
এদিকে এবার মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকবেন না ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রথম দফার বৈঠক চূড়ান্ত ব্যর্থ হওয়ার পর এবার জামাইয়ের উপরই ভরসা করতে চাইছেন ট্রাম্প। তবে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। এবার কি আলোচনার টেবিলে সাফল্য মিলবে? বন্ধ হবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ?
