খামেনেই প্রশাসনের রোষে পড়ছেন ভারতীয়রাও! বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে অন্তত ৬জন ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর ছড়াচ্ছে। কেবল ভারত নয়, বিক্ষোভ দমনে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি জেলে ভরছে ইরানের প্রশাসন। এহেন গুরুতর অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুলল তেহরান।
বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে অন্তত আড়াই হাজার প্রতিবাদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি। তবে গত কয়েকদিন ধরে সোশাল মিডিয়ায় খবর ছড়াচ্ছে, ইরানে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৬জন ভারতীয় নাগরিক। অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মিলে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।
এক্স হ্যান্ডেলে একটি খবরের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। সঙ্গে লেখেন, 'বিদেশি এক্স হ্যান্ডেলগুলিতে ইরান নিয়ে বহু ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। আমি সকলকে অনুরোধ করব, তাঁরা যেন সঠিক জায়গা থেকে খবর সংগ্রহ করেন।' তবে ইরান থেকে সঠিক খবর পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে কারণ সেদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা একেবারে বন্ধ। সেই সঙ্গে বিদেশে ফোন করাও নিষিদ্ধ করেছে খামেনেই প্রশাসন। ফলে মৃত এবং গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে আরও অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান।
উল্লেখ্য, ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে ঘোষণা না করলেও মোদি সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে প্রশাসন। সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে সেখানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিতে অন্তত তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে ঘোষণা না করলেও মোদি সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে প্রশাসন। সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।
আমেরিকার বিখ্যাত সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে খবর, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এখনও খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করার কথা ভাবেননি তিনি। তবে মার্কিন প্রশাসনের আধিকারিকরা মনে করছেন, ইরানে হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প। রাজধানী তেহরান-সহ সেদেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে হামলা চালাতে পারে মার্কিন ফৌজ। আরও বেশ কিছু বিকল্পও ভেবে রাখছেন ট্রাম্প।
