শান্তি ফেরাতে আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় বসতে রাজি ইরান। এমনটাই জানিয়েছে একটি ইরানি সংবাদমাধ্যম। কিন্তু তার আগে ওয়াশিংটনকে দু’টি শর্ত মানতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে তেহরান। সেগুলি পূরণ হলে তবেই তারা পরমাণু আলোচনায় বসবে।
৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরা চলা রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধের পর সাময়িক সংঘর্যবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান-আমেরিকা। সমাধানসূত্র বের করতে পাকিস্তানে শান্তি বৈঠকেও বসেছিল দু’দেশ। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছিল, ফের আলোচনায় বসবে ইরান-আমেরিকা। কিন্তু দু’পক্ষের মতভেদের কারণে তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এই টানাপোড়েনের মাঝেই এবার আমেরিকাকে নয়া শর্ত দিল ইরান।
লেবাননের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান আমেরিকাকে জানিয়ে দিয়েছে পরমাণু আলোচনায় বসতে হলে তাদের দু’টি শর্ত মানতে হবে। প্রথমত, ইরান এবং লেবাননে সম্পূর্ণভাবে যুদ্ধ থামাতে হবে। পাশাপাশি, নতুন করে যাতে সংঘাত সৃষ্টি না হয়, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকা যে অবরোধ তৈরি করে রেখেছে, তা তুলতে হবে। যদি উপরোক্ত শর্ত দু’টি ওয়াশিংটন পূরণ করে, তাহলেই পরমাণু আলোচনায় বসবে ইরান।
প্রস্তাবটি নিয়ে মুখ খুলেছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, “এগুলি সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনা। তাই গণমাধ্যমে বিষয়গুলি নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করব না। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আমেরিকাই থাকবে। ওয়াশিংটন কেবল এমন একটি চুক্তিতেই স্বাক্ষর করবে, যা মার্কিন জনগণকে অগ্রাধিকার দেবে। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের সুযোগ আমরা দেব না।”
