মাথা কাটলেই ধরে থাকবে না প্রাণ! এই কৌশলে আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ শীর্ষ নেতৃত্বকে একে একে নিকেশ করছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। বুধবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ দাবি করলেন, মঙ্গলবার রাতভর হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের গুপ্তচর মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিবৃতি দেয়নি ইরান।
খাতিবের নিহত হওয়ার সংবাদ দেওয়ার সময় কাটজ দাবি করেন, "আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় আর বড় ধরনের চমক অপেক্ষা করছে।" উল্লেখ্য, ইজরায়েলের হামলায় গতকাল নিহত হয়েছেন খামেনেইর ডান হাত বলে পরিচিত ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারজানি। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ইসলামি বিপ্লবী বাহিনীর (আইআরজিসি) আওতাধীন আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ ফোর্সের’ কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির। সমর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবার যুদ্ধ জয়ে গতি বাড়াচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকা। সম্ভবত দীর্ঘদিন হরমুজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়াতেই যুদ্ধ গুটিয়ে আনতে তৎপর যৌথ বাহিনী।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রিয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যুদ্ধে ইরানে মৃতের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ছাড়িয়েছে। রাশিয়া, চিন, স্পেন, ভারত-সহ একাধিক দেশ শান্তিপ্রস্তাব দিলেও কোনও পক্ষই যুদ্ধ থেকে সরতে রাজি নয়। এই অবস্থায় হরমুজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় গোটা পৃথিবীতে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
