পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করল ইসলামিক স্টেট পাকিস্তান প্রভিন্স। এই ইসলামিক স্টেট পাকিস্তান প্রভিন্স হল ইসলামিক স্টেটের পাকিস্তান শাখা। জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম সইফুল্লা আনসারি। শুক্রবার বিস্ফোরণের পরই পাকিস্তান আঙুল তোলে ভারতের দিকে। সেদিন রাতেই পাকিস্তানের দাবি উড়িয়ে ওই দেশের সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে, এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই সে দেশের পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে একজন মহিলাও রয়েছেন। এদিকে, আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে অন্তত ৭০ জন। পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এই হামলাকে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' বলে অভিহিত করেছেন।
এই হামলার পরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ দাবি করেছিলেন, আত্মঘাতী জঙ্গি আফগানিস্তান থেকে একাধিকবার পাকিস্তানে যাতায়াত করেছিল। তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, 'ভারত এবং তালিবানের মধ্যে যোগসূত্র প্রকাশ্যে আসছে। ওই জঙ্গিকে নিরাপত্তারক্ষী বাধা দিয়েছিলেন। তখনই সে গুলি চালাতে শুরু করে এবং মসজিদে প্রার্থনাকারীদের শেষ লাইনে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।' এর পরেই ভারতকে নিশানা করে আসিফের দাবি, পাকিস্তানের কাছে হেরে গিয়ে ভারত অন্য ভাবে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ, ভারতের নাকি সরাসরি যুদ্ধ করার ক্ষমতাই নেই।
অন্যদিকে, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতিতে লেখেন, 'ইসলামাবাদের মসজিদে বিস্ফোরণের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রাণহানিতে সমবেদনা জানাচ্ছি। কিন্তু এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, পাকিস্তান এই সমস্যাকে গুরুত্ব না দিয়ে তাদের মাটিতে জন্ম নেওয়া দুষ্কৃতীদের জন্য অন্যদের দোষারোপ করছে। ভারত এই ধরনের যে কোনও অভিযোগ খারিজ করছে। এগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।'
