shono
Advertisement
Blue Sparrow

মহাকাশ থেকে 'নীল চড়ুই'য়ের ঠোকরে ভবলীলা সাঙ্গ খামেনেইয়ের! কী এই যমদণ্ড?

সাধারণত যুদ্ধবিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় মিসাইলটি। এরপর ব্যালেস্টিক প্রযুক্তিতে উপরে উঠতে থাকে, নির্দিষ্ট সীমায় পৌঁছে উচ্চগতিতে ছুটে আসে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:19 PM Mar 06, 2026Updated: 08:19 PM Mar 06, 2026

নাম 'ব্লু স্প্যারো', বাংলায় যার তর্জমা করলে দাঁড়ায় 'নীল চড়ুই'। ইজরায়েলের ভয়ংকর এই ক্ষেপণাস্ত্রই মহাকাশ থেকে মৃত্যুদূত হয়ে নেমে এসেছিল ইরানের ৩৭ বছরের শাসক খামেনেইয়ের উপর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই মৃত্যু এসে ছোবল মারে আয়াতোল্লা খামেনেইকে। ইরানের মাটিতে ভয়ংকর এই হামলার নেপথ্যে ছিল ইজরায়েলের সবচেয়ে বিধ্বংসী অস্ত্র 'ব্লু স্প্যারো' বা নীল চড়ুই।

Advertisement

'নীল চড়ুই'য়ের বিশেষত্ব হল, এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর সেটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের শেষপ্রান্তে পৌঁছে যায়। এরপর অভিকর্ষের টান ও নিজস্ব জ্বালানির শক্তিতে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সেটি নেমে আসে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। এর গতি এতটাই বেশি যে একে রোখা কার্যত অসম্ভব। যার জেরে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে বলা হয়ে থাকে 'মিসাইল ফ্রম স্পেস'। ইরানে এই মিসাইল ছোড়াও হয়েছিল একেবারে সময় মেপে, যখন সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছিলেন খামেনেই।

'ব্লু স্প্যারো' হল অ্যাডভান্স এয়ার টু ল্যান্ড ব্যালেস্টিক মিসাইল। যার পাল্লা ১,২৪০ মাইল বা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬.৫ মিটার লম্বা ও প্রায় ১.৯ টন ওজনের।

রিপোর্ট অনুযায়ী, 'ব্লু স্প্যারো' হল অ্যাডভান্স এয়ার টু ল্যান্ড ব্যালেস্টিক মিসাইল। যার পাল্লা ১,২৪০ মাইল বা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬.৫ মিটার লম্বা ও প্রায় ১.৯ টন ওজনের। সাধারণত যুদ্ধবিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় মিসাইলটি। এরপর ব্যালেস্টিক প্রযুক্তিতে উপরে উঠতে থাকে, নির্দিষ্ট সীমায় পৌঁছে উচ্চগতিতে ছুটে আসে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিসাইলের বিভিন্ন ধরনের ভাগ রয়েছে ইজরায়েলের হাতে। যার পাল্লা আলাদা আলাদা। যেখানে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোরালো সেখানেও নিরাপদ দূরত্ব থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় মিসাইলটি। যার জেরে শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী বিমানকে ছুঁতেও পারে না।

পুরাণ অনুযায়ী যমের হাতে থাকে বিধ্বংসী এক দণ্ড। যা তছনছ করে দিতে সক্ষম যে কোনও শত্রুকে। এই অস্ত্রও অনেক যজদণ্ডের মতোই। ইজরায়েল যেমন নির্ভুলভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তা প্রমাণ করে তাদের গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি কতখানি নিখুঁত। ২৮শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৭.৩০ টার দিকে ইজরায়েলি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য বিমানকে মিশনে পাঠানো হয়েছিল। প্রায় দুই ঘন্টা পর, এই বিমানগুলি খামেনেই যেখানে মিটিং করছিল সেখানে ব্লু স্প্যারো-সহ প্রায় ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। যার জেরে একাধিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে মৃত্যু হয় ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেইয়ের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement