নিজে বিবাহিত। তারপরেও একের পর এক নাবালককে ধর্ষণের অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়। তার ফলে নাকি অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েন ওই মহিলা। সন্তান জন্মের পরই তার 'কুকর্মে'র পর্দাফাঁস। কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়ার এক স্কুলের সঙ্গীত শিক্ষিকা। সন্তান জন্মের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, নিজের কুকর্মের কথা নিজেই স্বীকার করে ওই মহিলা। অষ্ট্রেলিয়ার ফ্রেডেরিক আরউইন অ্যাংগলিক্যান স্কুলের ওই শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও।
মহিলা নাকি নিজেই স্বীকার করে তার বিকৃত যৌন লালসার কথা। সে জানায়, মূলত ১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সি নাবালকদের তার ভালো লাগে। সে কারণে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করত। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সাল অর্থাৎ বছরখানেকের মধ্যে একাধিক নাবালককে ধর্ষণ করে ওই মহিলা। তা নাকি তদন্তকারীদের কাছে স্বীকার করে নেয় সে। বছর তেত্রিশের ওই মহিলা একসময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। যদিও তার নেপথ্যে এই কুকর্মই দায়ী কিনা, এখনও স্পষ্ট নয়। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকার সময় গ্রেপ্তার হয় ওই স্কুলশিক্ষিকা।
গ্রেপ্তারির পর স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে প্রিন্সিপাল ট্র্য়াসি গ্রে চিঠি লিখে অভিভাবকদের গোটা বিষয়টি জানান। তিনি চিঠিতে লেখেন, "আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমাদের স্কুলের এক শিক্ষিকা সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিশুদের নিয়ে ঘৃণ্য অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। তবে বর্তমানে স্কুলে পড়ে এমন কোনও পড়ুয়ার সঙ্গে ঘৃণ্য অপরাধ করেনি সে। শিক্ষিকাকে স্কুলে আসতে বারণ করা হয়েছে। প্রতিটি পড়ুয়ার নিরাপত্তার দেখভালই আমাদের কর্তব্য।" পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক জেরা পর জানা গিয়েছে ওই মহিলা গতমাসেই সম্ভবত সন্তানের জন্ম দেন মহিলা। আর ওই নাবালকই তার সন্তানের বাবা বলেই সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুদের পরিচয় জানতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে।
