shono
Advertisement
Strait Of Hormuz

হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, মুখে মাস্ক! বাজেয়াপ্ত ২ পণ্যবাহী জাহাজে অভিযানের ভিডিও প্রকাশ ইরান সেনার

জানা গিয়েছে, 'এপামিনোডস' জাহাজটিতে লাইবেরিয়ার পতাকা ছিল। আর 'এমএসসি ফ্রান্সেসকা' ইজরায়েলের। প্রথম জাহাজটি দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। গন্তব্য ছিল গুজরাট।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:09 PM Apr 23, 2026Updated: 04:02 PM Apr 23, 2026

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরমুজে (Strait Of Hormuz) হামলা চালিয়েছে ইরান। দু'টি পণ্যবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর সেগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। জাহাজদু'টির নাম যথাক্রমে 'এপামিনোডস' এবং 'এমএসসি ফ্রান্সেসকা'। সম্প্রতি এই অভিযানের এক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে ইরানের সেনাবাহিনীর তরফে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মুখে মাস্ক পরে জাহাজে ঢুকে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে আইআরজিসি।

Advertisement

ঘটনার যে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে স্পিড বোটে করে জাহাজটির কাছে আসে ইরান সেনা। তাঁদের মুখে মাস্ক ও হাতে আগ্নেয়াস্ত্র। মাঝ সমুদ্রেই জাহাজের সিঁড়ি বেয়ে ভিতরে প্রবেশ করে যোদ্ধারা। এরপর জাহাজটিকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। দাবি করা হয়েছে, দুটি জাহাজকে ইরানের উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জাহাজে কী পণ্য রয়েছে তার তল্লাশি শুরু করেছে আইআরজিসি।

ব্রিটেনের 'মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস'-এর খবর অনুযায়ী, বুধবার হরমুজ প্রণালীর ওমান উপকূলবর্তী অঞ্চলে আইআরজিসি-র তরফে হামলা চালানো হয় ওমান থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে। গুলিচালনায় জাহাজটির 'ব্রিজ' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি। এর কিছু সময় পর আরও একটি জাহাজে হামলা হয়। জানা গিয়েছে, 'এপামিনোডস' জাহাজটিতে লাইবেরিয়ার পতাকা ছিল। আর 'এমএসসি ফ্রান্সেসকা' ইজরায়েলের। প্রথম জাহাজটি দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। গন্তব্য ছিল গুজরাট। কিন্তু হরমুজ পেরোনোর আগেই জাহাজ দু'টিকে বাজেয়াপ্ত করে ইরানি বাহিনী। তবে দু'টি ঘটনায় প্রাণহানির কোনও খবর নেই।

আইআরজিসি-র তরফে দাবি, যে দু'টি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাদের কাছে কোনও অনুমতি পত্র ছিল না। নিয়ম লঙ্ঘন করে তারা চলাচল করছিল।

আইআরজিসি-র তরফে দাবি, যে দু'টি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাদের কাছে কোনও অনুমতি পত্র ছিল না। নিয়ম লঙ্ঘন করে তারা চলাচল করছিল। শুধু তাই নয়, আরও জানা গিয়েছে যে, জাহাজ দু'টি নেভিগেশন সিস্টেমে কিছু 'কারসাজি' করেছিল, যার ফলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘিত হয়েছিল। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তাদের সেনা জাহাজদু'টিকে বার বার সতর্ক করেছিল। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। জাহাজদু'টি তাদের সতর্কবার্তায় সাড়া দেয়নি। আর তাই 'সমুদ্র আইন' মেনেই জাহাজদু'টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement