যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির জেরে দ্বিতীয় দফায় আলোচনার মৃদু সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে। তবু এখনও বৈঠক অধরাই। আর এর ফলে প্রবল ক্ষুব্ধ পাক জনতা। তাদের অভিযোগ, পাক সীমান্ত থেকে বহু দূরের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ভার কেন বইতে হবে তাদের। আসলে ইসলামাবাদের বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রয়েছে আরও অনেক নিষেধাজ্ঞাও। আর এতেই বাড়ছে অসন্তোষ।
এদিকে জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের উপর ভরসা কমতে শুরু করেছে ইরানের। এই অবস্থায় এই যুদ্ধ থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে চিন। দ্বিতীয় দফার আলোচনায় ৬টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। আগেও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল ইরান। তেহরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তরফে পাকিস্তানকে দু’মুখো বলে কটাক্ষ করা হয়। এই পরিস্থিতিতে আদৌ পাকিস্তানে বৈঠক হবে কিনা সেটাই কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় কেন রাস্তাঘাটে এত নিষেধাজ্ঞা জারি করে জনতাকে অস্বস্তিতে ফেলা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ জনতা।
এদিকে বুধবার ইরান-আমেরিকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন ট্রাম্প। তেহরান খোঁচা দিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করে বলেছে, “আপনি মুখ বন্ধ রাখুন।” তবে আমেরিকা বলছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইসলামাবাদেই তা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, বৈঠকে যোগ দিতে পারেন ট্রাম্পও। কিন্তু ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, “দ্বিতীয় শান্তি বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসমাইলের এই মন্তব্য শান্তি বৈঠকে ইরানের যোগদান আরও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। এখন দেখার, শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়।
