সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের হাতে ভারত-বিরোধিতার নতুন রসদ! এবার জাঁকজমকে বিদায়সভার আয়জন হচ্ছে জইশ নেতা মাসুদ আজহারের ভাই ইউসুফ আজহারের। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের ধারণা এটা শুধুই বিদায়সভা নয়। এর আড়ালেই নিষিদ্ধ সংগঠনে নতুন মুখের আমদানি করার চেষ্টা। এই অনুষ্ঠান আসলে জেহাদি তৈরির মঞ্চ। বলে রাখা ভালো, অপারেশন সিঁদুরে ইউসুফকে নিকেশ করে ভারত।
বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর, জইশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের ভাই ইউসুফ আজহারের স্মরণসভার আয়জন করা হবে পাকিস্তানে। পেশোয়ারের মরকজ শহিদ মাকসুদাবাদে হতে চলা এই অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বহু নেতা এবং সাধারণ সদস্য যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্মরণসভার আড়ালে সংগঠনে নতুন সদস্য আনার চেষ্টা চালানো হবে সংগঠনের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে, 'মুরাবিতুন' নাম ব্যবহার করে এই কাজ চালানো হবে। এই প্রক্রিয়া থেকে নজর ঘোরাতেই নতুন নাম ব্যবহার করা হবে বলে ধারণা। আরবি এই শব্দের মানে 'ইসলামিক দেশের রক্ষাকর্তা'। এই গোটা পরিকল্পনার নেপথ্যে রয়েছে কুখ্যাত পাক গুপ্তচর সংস্তা আইএসআই।
বলে রাখা ভালো, অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের বাড়ি। বিস্ফোরণে মারা গিয়েছে আজহারের পরিবারের ১৪ সদস্য। এটা যে কোনও ফাঁকা দাবি নয়, বরং একেবারে সত্যি ঘটনা তা মেনে নেয় জইশ শীর্ষ কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি!
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ২৬ মৃত্যুর বদলা নিতে ৬ মে গভীর রাতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারতীয় সেনা। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জায়গার জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় বাহওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদ, মুরাক্কায় লস্কর-ই-তইবা ও হিজবুল মুজাহিদিনের সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। খতম হয়েছিল বহু জেহাদি।
