shono
Advertisement

Breaking News

Donald Trump

'সেনা বলছে ওদের ডুবিয়ে মারতে দারুণ মজা!', ইরানের রণতরী ধ্বংস নিয়ে 'উচ্ছ্বসিত' ট্রাম্প

এদিকে যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে নিজেরই আগের মন্তব্য থেকে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরতে দেখা গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 02:01 PM Mar 10, 2026Updated: 02:01 PM Mar 10, 2026

ইরানের রণতরী দখল করার থেকে ডুবিয়ে মারতে বেশি মজা পাচ্ছে মার্কিন সেনা। ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এহেন বিবৃতিতে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

Advertisement

এই একই সভায় যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে নিজেরই আগের মন্তব্য থেকে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। সোমবার এক মার্কিন সংবাদপত্রকে ফোনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় যুদ্ধ শেষ। আমরা ভালো সাফল্য পেয়েছি। ইরানের কাছে এখন নৌসেনা, বায়ুসেনা কিছুই নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। যুদ্ধ যেরকম সময়ে শেষ হবে বলে মনে করেছিলাম আমরা, তার বহু আগেই জিতে গিয়েছি আমরা।”

কিন্তু রিপাবলিকানদের ওই অনুষ্ঠানে সেই তাঁকেই বলতে শোনা যায়, ''আমেরিকা এখনও যুদ্ধটা পুরোপুরি জিততে পারেনি।'' সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, যতদিন না ইরান সম্পূর্ণ ও শোচনীয় ভাবে বিধ্বস্ত হচ্ছে ততদিন লড়াই চলবে। এহেন 'পাল্টি' নিয়েও চর্চা তুঙ্গে।

ইরান-আমেরিকা সংঘাত ক্রমশই উত্তপ্ত থেকে উত্তপ্ততর হচ্ছে। ট্রাম্প হরমুজের দখল নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের পালটা হুমকি—যদি আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকে, তবে হরমুজ দিয়ে এক লিটার তেলও রপ্তানি করতে দেবে না তারা।

পাশাপাশি পালটা দিয়েছে ইরানও। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘ননসেন্স’ আখ্যা দিয়ে তেহরানের হুঁশিয়ারি, আমেরিকা এবং ইজরায়েল যদি তেলের খনিতে হামলা চালায় তাহলে এক লিটার তেলও বের করতে দেওয়া হবে না। তেহরান আরও বলেছে, “গোটা মধ্যপ্রাচ্যের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার ভার রয়েছে ইরানি সেনার হাতে। তাই ইরান ঠিক করবে ওই এলাকার ভবিষ্যৎ এবং দ্বিপাক্ষিক সমীকরণ। মার্কিন সেনা যুদ্ধ শেষ করার কেউ নয়।”

সব মিলিয়ে ইরান-আমেরিকা সংঘাত ক্রমশই উত্তপ্ত থেকে উত্তপ্ততর হচ্ছে। ট্রাম্প হরমুজের দখল নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের পালটা হুমকি—যদি আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকে, তবে হরমুজ দিয়ে এক লিটার তেলও রপ্তানি করতে দেবে না তারা। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশ হরমুজের পথে অসংখ্য দেশে রপ্তানি হয়। যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় তাহলে গোটা বিশ্বেই ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের বিপুল প্রভাব পড়তে চলেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘ননসেন্স’ আখ্যা দিয়ে তেহরানের হুঁশিয়ারি, আমেরিকা এবং ইজরায়েল যদি তেলের খনিতে হামলা চালায় তাহলে এক লিটার তেলও বের করতে দেওয়া হবে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement