মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি কমিটিতে যোগদান নিয়ে বিরোধিতা শুরু পাকিস্তানেই। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সে দেশের সেনাপ্রধান আসিম মুনির দু'জনে মিলে মুসলিমদের বিকিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করলেন খাইবার পাখতুনের মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি। তিনি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-শরিফের নেতা এবং ইমরান ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।
নীতিগত ভাবে বরাবরই প্যালেস্তাইনের সমর্থক পাকিস্তান। সেই কারণে ইসলামাবাদ ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবেই স্বীকৃতি দেয়নি। তা নিয়ে দু'দেশের মধ্যে বিরোধও রয়েছে। ট্রাম্পের গাজা শান্তি কমিটিতে পাকিস্তানের যোগদান নিয়ে আপত্তি তুলেছিল ইজরায়েল। যদিও তা ধোপে টেকেনি। ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে 'বোর্ড অফ পিসে' যোগও দিয়েছে পাকিস্তান। শাহবাজ এবং মুনিরের এই সিদ্ধান্তে আদতে প্যালেস্তাইনের মুসলিম ভাইদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হল বলেই মনে করছেন সোহেল। তাঁর অভিযোগ, প্যালেস্তাইনিদের জীবনের থেকে রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিল ইসলামাবাদ। এ ব্যাপারে পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের মত নেওয়া উচিত ছিল বলেও দাবি তাঁর।
সোহেল বলেন, "এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়, যা পাকিস্তান এবং গোটা মুসলিম সমাজের আত্মমর্যাদায় আঘাত করে। এ ক্ষেত্রে গাজার মানুষদের রক্ত বিক্রি করে দিলেন শাহবাজ শরিফ এবং আসিম মুনির। আমাদের আবেগ নিয়ে খেলা হল। বিকিয়ে দেওয়া হল মুসলিম ভাইদের।" ইমরান ক্ষমতায় থাকলে তিনি কখনওই এ কাজ করতেন না বলেও দাবি করেন সোহেল।
