পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মেঘ আপাতত কাটলেও, যুদ্ধের দামামা বাজল পূর্ব এশিয়ায়। আমেরিকার চাপ বাড়িয়ে বুধবার ফের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া। এই ঘটনায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতে। জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনার মতে, এই দিনে দু'দিনে দ্বিতীয়বার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে কিমের দেশ।
দক্ষিণ কোরিয়ার 'জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ' (জেসিএস) জানান, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ নাগাদ ওনসান এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এর আগেও এই অঞ্চল থেকে সমুদ্রের দিকে বেশ কয়েকটি স্বল্প পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। যেগুলি ২৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সমুদ্রে পতিত হয়। জেসিএস আরও জানান, মঙ্গলবারও উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে সন্দেহজনক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সবমিলিয়ে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ৬টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া।
বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ নাগাদ ওনসান এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এর আগেও এই অঞ্চল থেকে সমুদ্রের দিকে বেশ কয়েকটি স্বল্প পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।
এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বুধবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছে। প্রেসিডেন্টের দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করছে তা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন। উত্তর কোরিয়াকে এই ধরনের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে উত্তর কোরিয়ার গা ঘেঁষে দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রে সামরিক মহড়া চালিয়েছিল আমেরিকা। ‘ফ্রিডম শিল্ড’ নামের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ১৮ হাজার সেনা। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে এই ধরনের মহড়া আসলে কোনও দেশের উপর হামলা চালানোর প্রাথমিক মহড়া। সামরিক অভিযান চালানো ও অস্ত্র পরীক্ষার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই মহড়াগুলিকে। সেই মহড়ার পর ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ আরও বাড়াল উত্তর কোরিয়া।
