‘তালিবানকে মদত দিচ্ছে পাকিস্তান’, ইসলামাবাদকে তুলোধোনা করলেন মার্কিন সেনেটর

02:16 PM Apr 16, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) তালিবানকে মদত দিচ্ছে পাকিস্তান। ইসলামিক দেশটির প্রকৃত ছবি প্রকাশ করে জানালেন মার্কিন সেনেটর জ্যাক রিড। তাঁর দাবি, নিজের কাজ হাসিল করার জন্য তালিবান ও আমেরিকা উভয় পক্ষের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে কাজ করছে পাকিস্তান (Pakistan)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ, রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাল আমেরিকা]

বৃহস্পতিবার মার্কিন সংসদের উচ্চকক্ষে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের স্বরূপ প্রকাশ করেন সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির চেয়ারম্যান জ্যাক রিড। তাঁর বক্তব্য, “আফগানিস্তানে তালিবানের সাফল্যের প্রধান কারণ পাকিস্তানের মদত। জঙ্গি সংগঠনটির জন্য পাকিস্তানের তৈরি করা অভয়ারণ্যগুলি ধ্বংস করতে পারেনি আমেরিকা।” তিনি আরও বলেন, “আফগান স্টাডি গ্রুপের মতে সন্ত্রাসবাদের অস্তিত্ব রক্ষা ও প্রসারের জন্য অভয়ারণ্যগুলি অত্যন্ত জরুরি। বিভিন্ন সময়ে তালিবানকে মদত দিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তবে সুযোগ বুঝে ও নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করতে সময়ে সময়ে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে তারা। মার্কিন আর্থিক মদতে তৈরি হওয়া পরিকাঠামো ও আকাশসীমা জঙ্গিদের ব্যবহার করার সুযোগ দিয়েছে পাকিস্তান। অর্থাৎ দু’দিকেই নিজের কাজ হাসিল করার জন্য তাল মিলিয়েছে দেশটি। তবে এটা আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য খুবই বিপজ্জনক।”

উল্লেখ্য, আফগানিস্তান থেকে এপর্যন্ত অধিকাংশ মার্কিন সেনা সরিয়ে নিয়েছে আমেরিকা। এই মুহূর্তে সেদেশে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সেনা। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে তালিবানের সঙ্গে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চুক্তি হয়েছিল, সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে। ১ মে-র মধ্যেই অবশিষ্ট সেনাদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে বাইডেন প্রশাসন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে অনুকূল নয়, তা জানাচ্ছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। এই রিপোর্টকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে হোয়াইট হাউস। অনেক প্রশাসনিক কর্তাই দাবি করেছেন, গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা মেনে আপাতত ওই সেনাদের আফগানিস্তানেই রেখে দেওয়া হোক।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে উত্তেজনা প্রশমনে গোপন বৈঠকে ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা আধিকারিকরা]

Advertisement
Next