shono
Advertisement
Balochistan

বালোচিস্তানে পাক সেনার কনভয়ে ভয়ংকর হামলা! অন্তত ২৩ জওয়ানের মৃত্যু

ফের রক্তাক্ত বালোচিস্তান। পাক সেনার কনভয়ে ভয়ংকর হামলায় মৃত্যু হল অন্তত ২৩ জন জওয়ানের। পাশাপাশি আরও বহু পাকিস্তানি জওয়ান আহত হয়েছেন বলে খবর।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:36 PM Sep 13, 2026Updated: 04:36 PM Sep 13, 2026

ফের রক্তাক্ত বালোচিস্তান। পাক সেনার কনভয়ে ভয়ংকর হামলায় মৃত্যু হল অন্তত ২৩ জন জওয়ানের। পাশাপাশি আরও বহু পাকিস্তানি জওয়ান আহত হয়েছেন বলে খবর। অনুমান করা হচ্ছে এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। জানা যাচ্ছে, রবিবার এই হামলা চালানো হয় বালোচিস্তানের লাসবেলা জেলার এন-২৫ জাতীয় সড়কে।

Advertisement

পাকিস্তানের শিকল ছিঁড়ে ‘স্বাধীন বালোচিস্তান’ ঘোষণা করেছিল বিদ্রোহীরা। দাবি করা হয়েছিল, বালোচিস্তানের ৮৫ শতাংশ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে। সেখানে পাকিস্তান সেনা পাঠালে কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি হুমকি দিয়েছিল বালোচ বিদ্রোহীরা। সূত্রের খবর, এদিন লাসবেলার কাশারী এলাকায় ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের ১৫টি গাড়ির কনভয় লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ব্যাপক বিস্ফোরণের পাশাপাশি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই হামলায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হামলার পর পাক সরকারের তরফে ওই জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রচুর সংখ্যায় সেনা পাঠানো হয়েছে এলাকায়। শুরু হয়েছে তল্লাশি।

এই জাতীয় সড়ক বালোচিস্তান প্রদেশের অন্যতম প্রধান সড়ক করিডোর। যা করাচিকে কোয়েটার সঙ্গে যুক্ত করছে এবং বালোচিস্তানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।

এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও অনুমান করা হচ্ছে এর নেপথ্যে রয়েছে বালোচরাই। কারণ এই জাতীয় সড়ক বালোচিস্তান প্রদেশের অন্যতম প্রধান সড়ক করিডোর। যা করাচিকে কোয়েটার সঙ্গে যুক্ত করছে এবং বালোচিস্তানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। যার জেরে এই সড়কের উপর পাক সেনার উপর হামলা নতুন কিছু নয়। এর নেপথ্যেও বালোচদের হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বালোচিস্তানের পাকিস্তানি শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। বিরাট সেনাবল নিয়ে লড়াইয়ে নেমেও এই অঞ্চলে রীতিমতো নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে পাক সেনাকে। এই অবস্থায় পালটা গুমখুন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো অমানুষিক অত্যাচার চালিয়ে বিদ্রোহের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হওয়ার পর থেকেই আরও অশান্ত হয়ে উঠেছে বালোচিস্তান। অভিযোগ, খনিজ সমৃদ্ধ প্রদেশটিকে কার্যত লুট করছে পাক প্রশাসন। প্রতিদানে বালোচ জনতা পেয়েছে শুধু নির্যাতন ও দারিদ্র। তারই প্রতিবাদে স্বাধীনতার মরণপণ লড়াইয়ে নামে সেখানকার মানুষ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement