সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক কোপে চক্ষু চড়কগাছ। আনারস কাটতেই মিলল নিষিদ্ধ মাদক। আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা ফলের জাহাজ থেকে কোকেন উদ্ধার হওয়ায় চিন্তা বাড়ছে পর্তুগাল ও স্পেনে।
[শীতের বহরে চোখের পাতায় বরফ, ফেটে চৌচির থার্মোমিটার]
নজরদারি খানিকটা ঢিলেঢালা। এই সুযোগে উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকা থেকে জলপথে ইউরোপে মাদক দ্রব্য বেশ কিছুদিন ধরে ঢুকছিল। পাশাপাশি লাতিন আমেরিকা থেকে আসা জাহাজেও থাকত নিষিদ্ধ মাদক। বন্দরগুলিতে মালপত্র খালাস করার সময় অত্যাধুনিক যন্ত্রে পরীক্ষার সময় কোকেন ধরা পড়ে যেত। এর জন্য পাচারকারীরা ছক বদলায়। আনারসের মধ্যে কোকেন ভরা শুরু হয়। যা কোনওভাবে ধরা পড়ত না। চলতি সপ্তাহে পর্তুগাল এবং স্পেন পুলিশের যৌথ অভিযানে পর্দা ফাঁস হয়। লাইবেরিয়া থেকে আসা একটি জাহাজ থেকে প্রচুর আনারস নামানো হয়েছিল। এই আনারসের মধ্যেই মেলে নিষিদ্ধ কোকেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পর্তুগাল থেকে স্পেন হয়ে ওই আনারস অস্ট্রিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। ফলের মধ্যে মাদক পাচারের ছক একেবারে নতুন বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। আনারসের খোসা ছাড়ানোর পর দেখা যায় তার মধ্যে শক্ত কিছু। হলুদে রংয়ের প্রলেপের মধ্যে থাকত কোকেন। বিপুল পরিমাণ আনারস থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৭৪৫ কেজি কোকেন আটক করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচজনকে। যে ল্যাবরেটরিতে আনারাসগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সংস্থার আধিকারিকে জেরা করা হচ্ছে। সতর্কতা হিসাবে আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা জাহাজের কন্টেনারে থাকা অন্যান্য সামগ্রীরও ছানবিন চলছে।
[শত্রুদের বুকে কাঁপন ধরাতে শীঘ্রই আসছে ‘কালো পাখির পুত্র’]
পর্তুগালের তদন্তকারীরা জানান, এই ঘটনার সঙ্গে এক আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত। লাইবেরিয়া উপকূল অঞ্চলে ওই চক্র সক্রিয়। পাশাপাশি কলম্বিয়ার একটি গ্যাংয়ের দিকেও তাদের নজর রয়েছে। কোকেনযুক্ত আনারস সাধারণ মানুষের শরীরে গেলে কী হত, এই উদ্বেগই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তার পাশাপাশি কীভাবে জলপথের মাধ্যমে তা ইউরোপে ঢুকে পড়ল সেই ঘটনায় নজরদারি প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
