ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে আমেরিকায় হাওয়া গরম। আর এহেন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডাক পেয়ে সাক্ষাৎকার বন্ধ রেখেই ছুটতে হল রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টকে। ঘণ্টা দুয়েক পরে তিনি যখন ফিরলেন, তখন কার্যতই কাঁপছেন, মুখ ফ্যাকাসে! ৬৩ বছরের স্কটের এহেন শরীরী ভাষা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, 'বসে'র 'বকুনি'র চোটেই তাঁর এই অবস্থা।
এদিন সকালে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় আচমকাই ডাক পড়ে স্কটের। শোনা যায়, ''আপনাকে এক্ষুনি ডাকছেন প্রেসিডেন্ট।'' তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাইক্রোফোন খুলে ফেলে দ্রুত ছুটে যান। ফেরেন প্রায় ঘণ্টা দুয়েক পরে। কিন্তু ততক্ষণে পালটে গিয়েছে শরীরী ভাষা। দৃশ্যতই তিনি কাঁপছিলেন। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় ট্রাম্প কেমন আছেন। জবাবে কাঁপতে কাঁপতেই স্কট বলেন, ''প্রেসিডেন্ট দারুণ মেজাজে রয়েছেন। ইরান মিশন সময়ের আগেই এগিয়ে চলেছে।'' পরে ট্রাম্পের পাশাপাশি পেন্টাগনের প্রধানেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। কথা বলেন নিজের কিশোর-কিশোরী পুত্রকন্যাকে নিয়ে। কিন্তু সমস্ত কথার মধ্যেই একটা কম্পন ছিল। জল্পনা, ঠিক কী হয়েছে তাঁর? ট্রাম্প কি খুব খারাপ ব্যবহার করেছেন? এই নিয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে সবই জল্পনা।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডাক পেয়ে সাক্ষাৎকার বন্ধ রেখেই ছুটতে হল রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্টকে। ঘণ্টা দুয়েক পরে তিনি যখন ফিরলেন, তখন কার্যতই কাঁপছেন, মুখ ফ্যাকাসে!
স্কট বেসেন্টই মার্কিন রাজস্ব বিভাগের প্রথম ঘোষিত সমকামী সদস্য। তাঁর সন্তানেরা সারোগেসির মাধ্যমে প্রাপ্ত। স্কটের সঙ্গীর নাম জন ফ্রিম্যান। সম্প্রতি ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা গিয়েছিল স্কটকে। জানান, রুশ তেল কেনা বন্ধ করে নয়াদিল্লি ওয়াশিংটনের সহায়তা করেছে। ভারতকে ‘খুব ভালো অ্যাক্টর’ বলেও উল্লেখ করলেন তিনি। সেই সঙ্গেই জানিয়ে দেন, বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল করতে রুশ অপরিশোধিত তেলের উপর আরোপিত বিধিনিষেধও শিথিল করার কথা ভাবছে আমেরিকা।
