মার্কিন শর্তে রাজি না হলে ইরানকে বড় মূল্য দিতে হবে (US–Iran Conflict)। হরমুজ খোলা নিয়ে এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তিনি হুঁশিয়ারি দিলেন, ''একটা গোটা সভ্য আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যাবে। যা আর ফেরানো যাবে না। আমি এটা ঘটাতে চাই না। কিন্তু এটা সম্ভবত ঘটতে চলেছে।''
তবে এমন কথা বললেও ট্রাম্প কিন্তু আস্তিনে কিছু তাস রেখে দিচ্ছেন। এও জানিয়েছেন, একেবারে শেষ মুহূর্তে আক্রমণ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সেই সঙ্গেই তাঁর মন্তব্য, ''বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত রচিত হতে চলেছে।'' সেই সঙ্গেই তাঁর প্রার্থনা, ''ইরানের মহান জনগণকে ঈশ্বর আশীর্বাদ করুন!''
প্রসঙ্গত, হরমুজ নিয়ে গত রবিবার ধৈর্য হারাতে দেখা গিয়েছিল ট্রাম্পকে। মাসাধিক কাল যাবৎ অবরুদ্ধ রয়েছে ওই প্রণালী। আর এর জন্য গোটা বিশ্বই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ফলে যত সময় যাচ্ছে ততই তাঁর ধৈর্যচ্যুতি প্রকট হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতেই গত রবিবার তিনি বলেন, ''মঙ্গলবার ইরানে একই সঙ্গে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’ এবং ‘সেতু দিবস’ পালিত হবে। আগে যেমনটা হয়নি!''
উল্লেখ্য, ইরানের হরমুজ উন্মুক্ত করার উপরেই নির্ভর করছিল যুদ্ধবিরতি। এই বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি গররাজি হলে খার্গ দ্বীপ, ইরানের সেতুগুলি, এমনকী বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। হরমুজ মুক্ত করতে ইরানকে সোমবার অবধি সময় দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতোই মঙ্গলবার খার্গ দ্বীপে ভয়ংকর হামলা হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি ব্রিজ ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকার বায়ুসেনা। এর ফলে সংঘর্ষবিরতি বিশ বাঁও জলে। তার মধ্যেই ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, এবার ধ্বংস হয়ে যাবে ইরানোর গোটা সভ্যতাই।
