shono
Advertisement
Pakistan

সেনাই চালায় পাকিস্তান! আব্রাহাম চুক্তিতে মুনিরকে আহ্বান ট্রাম্পের, ব্রাত্য শরিফ

প্রতিবেশী দেশটির প্রশাসন যে আসলে সেনাবাহিনীর আঙুলে জড়ানো ‘পুতুল’ তা স্পষ্ট হয়ে গেল নতুন করে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 12:45 PM May 26, 2026Updated: 12:53 PM May 26, 2026

পাকিস্তানকে অস্বস্তিতে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! ইরান যুদ্ধ শেষ হলে মুসলিমপ্রধান দেশগুলিকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানোর সময় যেসব নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন, সেখানে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের নাম উল্লেখ করলেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নাম সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যান তিনি। ফলে পাকিস্তানের প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে, সেই পুরনো বিতর্কই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। প্রতিবেশী দেশটির প্রশাসন যে আসলে সেনাবাহিনীর আঙুলে জড়ানো ‘পুতুল’ তা স্পষ্ট হয়ে গেল নতুন করে।

Advertisement

উল্লেখ্য, পাকিস্তান যে সেদেশের সেনাই চালায় এটা মোটামুটি দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। যদিও নামমাত্র একটা সংসদীয় দলীয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। আর সেই কারণেই সেদেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফই প্রশাসনিক প্রধান। অন্তত খাতায় কলমে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিবৃতিতে ফের পরিষ্কার হয়ে গেল মুনিরই পাকিস্তানের আসল নিয়ন্ত্রক, এই মুহূর্তে।

গতকাল, সোমবার ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প সেইসব বিশ্বনেতাদের তালিকা তুলে ধরেন, যাঁদের সঙ্গে তিনি সপ্তাহান্তে কথা বলেছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানের প্রসঙ্গ আসতেই তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নাম উল্লেখটুকুও করেননি। বরং বলেছেন মুনিরের নাম!

এই অ্যাকর্ড যদি পাকিস্তান এবং ইরানের মতো দেশগুলি মেনে নেয়, তাহলে নিজের দেশেই প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হবে এই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে। কারণ ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ প্যালেস্টাইনের সংগ্রাম এবং অস্তিত্বকে কার্যত অস্বীকার করা। মুসলিমপ্রধান দেশগুলি বরাবর থেকেছে প্যালেস্টাইনের পাশে। যুদ্ধের জেরে দীর্ঘদিনের অবস্থান বদলে ফেলা পাকিস্তানের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। ফলে ট্রাম্পের প্রস্তাবে সবমিলিয়ে মহাসংকটে পাকিস্তান।

এদিকে পাকিস্তানের ‘বস’ যে সেনাই, সেটা এর আগেও বারবার স্পষ্ট হয়েছে। গত এপ্রিলে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে ইরানের কাছে ট্রাম্পের ‘বার্তা’ পৌঁছে যখন পৌঁছন মুনির, সেই সময় তিনিই প্রথম বিমান থেকে নামেন। এখানেই শেষ নয়, মুনিরের পিছনে দাঁড়ানো নিরাপত্তা কর্মীর হাতে বুলেটপ্রুফ শিল্ড। এই নিরাপত্তা রাষ্ট্রপ্রধানরাই পান। সেনাপ্রধানরা পান না। সেই সময়ও এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান কারা চালাচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement